Address Bangladesh Bangla Blog http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/latest Tue, 12 Dec 2017 11:48:07 +0000 Joomla! - Open Source Content Management en-gb গ্রামীণের নতুন নতুন ইনোভেশন এবং উন্নয়ন ও সাফল্যের সংবাদ দেশ ও মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যে AddressBangladesh এর প্রমোশনে কাজ করবে। http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/addressbangladesh-4 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/addressbangladesh-4

নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত প্রফেসর মুহম্মদ ইউনুস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশনস ১৯৯৭ সাল থেকে গ্রামীণ ব্যাংকসহ গ্রামীণ জনপদে তথ্যপ্রযুক্তি এবং এই প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতাবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে এছাড়া প্রযুক্তিগত বিভাজন হ্রাস করতেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা পালন করে 

১৯৯৮ সালে গ্রামীণ কমিউনিকেশনস তাদের গ্রামীণ কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট প্রোগ্রাম (VCIP) নামে একটি সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম টেলিসেন্টারের যাত্রা শুরু করে যা পরবর্তীতে গ্রামীণ জনপদে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, গ্রামীণ ক্ষুদ্র অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রেখেছে এছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশন গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের যাবতীয় তথ্য ম্যনেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত MIS সিস্টেমটি ডেভেলপ করে যা এখনো সাফল্যজনকভাবে কাজ করছে

সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামীণ কমিউনিকেশনস উদ্ভাবন করেছে UPSবিহীন DC DC কম্পিb2ap3_thumbnail_DC-DC3_400.jpgউটার পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম যা ২০ ঘন্টারও বেশি অধিক সময় পাওয়ার ব্যাকআপ প্রদান করতে সক্ষম এই সিস্টেম গ্রামীণ জনপদের জন্য উপযোগি এবং বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে গ্রামীণ জনপদে কম্পিউটার প্রযুক্তির বিস্তার এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এটি ভূমিকা রাখবে।      

বর্তমানে জাপানের কিয়োসু ইউনিভার্সিটির সঙ্গেও গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স নতুন উদ্ভাবনী কিছু কাজ করছে যা সমাজিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলছে এর মধ্যে  উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- গ্রামওয়েব(www.gramweb.net), পোর্টেবল হেলথ ক্লিনিক, সোস্যাল সার্ভিস অন হুইল ইত্যাদি

 

সামাজিক উন্নয়নমূলক সকল কাজের দেশে-বিদেশে প্রচারণা ব্যবহারিক দিকে থেকে মানুষের পরিবর্তন সম্পৃক্ততাকে জোরদার করার লক্ষ্যে AddressBangladesh বাংলাদেশে কাজ করে যাবে এছাড়াও AddressBangladesh এই কাজগুলো কিভাবে মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে এবং মানুষ অনুপ্রাণিত হতে পারে সেই প্রচারণা উন্নয়নে কাজ করবে এই সংক্রান্ত একটি আলোচনায় গ্রামীণ কমিউনিকেশন এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজনীন সুলতানা জেনারেল ম্যানেজার হাসিবুল হাসান এবং AddressBangladesh এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক আলম নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ টোকন উপস্থিত ছিলেন  


Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Latest News Mon, 08 Sep 2014 04:40:51 +0000
বাংলাদেশের ট্যুরিজম প্রমোশনে টাইগার ট্যুরস লিমিটেড এবং AddressBangladesh একসঙ্গে কাজ করবে। http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/addressbangladesh-3 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/addressbangladesh-3

বাংলাদেশের  ট্যুরিজমের অপার সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে এর উন্নয়নে কাজ  করে যাচ্ছেন  টাইগার ট্যুরস এর প্রতিষ্ঠাতা  ও নির্বাহী পরিচালক এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্রান্ডিং এবং ট্যুরিজমের প্রোমোশনে তাদের সঙ্গে এবার একসঙ্গে কাজ করবে  AddressBangladesh

 


বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পর্যটন হতে পারে সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক খাত পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন হলে শুধু এই খাতে বিনিয়োগ বাড়বে, প্রবৃদ্ধি বাড়বে তাই নয়, এর সাথে সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি, স্থানীয় অর্থনীতির সচলতা, মাইগ্রেশন রোধসহ বহুবিধ ক্ষেত্রে পরিবর্তন গতিশীলতা আসবে

ট্যুরিজমের উন্নয়নের সাথে অবকাঠামোগত উন্নয়নেও জোয়ার আসবে বড় রকমের পরিবর্তন আসতে পারে পরিবেশগত বাংলাদেশের নদীগুলোকে রক্ষা, দূষণ প্রতিরোধসহ এক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন  তখন অনিবার্য হয়ে উঠবে।

 b2ap3_thumbnail_Tiger1.jpg
শুধু তাই নয় পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ঘটলে বাংলাদেশে বর্তমান অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলো আরো অনেক বেশি গতিশীল হবে ব্যবহার কার্যকারিতা বাড়বে পানি সম্পদের এমনকি অর্থনীতির বিরাট নতুন ক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে মৎস সম্পদসহ এর সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য ক্ষেত্রেগুলোও

ট্যুরিজমের সম্ভাবনার কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং এর প্রোমোশনের  জন্যও AddressBangladesh দেশে-বিদেশে কাজ করবে এই উন্নয়ন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে টাইগার ট্যুরস লিমিটেড এবং AddressBangladesh এর মধ্যে একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এতে টাইগার ট্যুরস এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এবং AddressBangladesh এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর তারিক আলম ও নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ টোকন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন  


Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Latest News Fri, 05 Sep 2014 12:29:39 +0000
FREELANCING & EARNING ONLINE http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/freelancing-earning-online http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/freelancing-earning-online

চাকুরিতে ঢোকার আগে কিংবা কর্মরত অবস্থায় ট্রেনিং নিয়ে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। দক্ষতাই আপনাকে ভালো কাজ পাওয়ার উপযুক্ত করে তুলবে! অবসরে FREELANCING​ (ফ্রিল্যান্সিং) করেও আয় করতে পারবেন।

Before entering into job or with job, you need to explore yourself with skilled base training. Skills must assist you to reach the better position, better employment and obviously smarter salary! Having such skills you even can get the opportunity to earn online as a freelancer! Get explore yourself and updated with technology and its benefit!
> Office Application (Word, excel, power point)
CONTACT: www.denbd.com

Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Science & Technology Tue, 24 Oct 2017 05:45:29 +0000
ONLINE MARKET PLACE FOR OUTSOURCING/FREELANCING / Mahmud Tokon http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/online-market-place-for-outsourcing-freelancing-mahmud-tokon http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/online-market-place-for-outsourcing-freelancing-mahmud-tokon

আপওয়ার্ক: আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং কাজের একটি বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস
UPWORK: A HUGE ONLINE MARKET PLACE FOR OUTSOURCING/FREELANCING

.........................................................................................................
‘অনলাইনে ইনকাম(online income)’, ‘ঘরে বসে আয় করুন(income at your home)’ কিংবা ফ্রিল্যান্সিং শব্দগুলো এখন খুবই পরিচিত।  সারাবিশ্বে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং (outsourcing/freelancing) এখন অনলাইনের বিরাট কাজের ক্ষেত্র  অনেকেই(বিশেষকরে তরুণ) অনলাইনে কাজ করেন কিংবা কাজ করতে ভীষন আগ্রহী  আউটসোর্সিং এখন অনলাইনের বিরাট কাজের ক্ষেত্র  অনলাইনে কেউ কাজ করছেন স্টাফ হিসেবে, কেউ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে  কেউবা কাজ নিয়ে আউটসোর্স করছেন  কথা হচ্ছে অনলাইনে কোথায় আপনি কাজ পাবেন? অনলাইনে কাজ আউটসোর্স করে এরকম মার্কেটপ্লেস কি আপনার জানা আছে?

আউসোর্সের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মার্কেট হচ্ছে আপওয়ার্ক(UPWORK) যেখানে আপনি আপনার দক্ষতা অনুয়ায়ি কাজ পেতে পারেন  তবে আগে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করে যথাযথভাবে নিজের প্রোফাইলটি তৈরি করতে হবে  মনে রাখবেন, এখানে দক্ষতা দিয়েই কাজ পাওয়া সম্ভব  আর সে জন্যই ভালো প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকইরপ্রস্তুত করতে হবে।

২০০৩ সালে আমরা যখন DENBD-তে শহরে গ্রামে আইটি নিয়ে কাজ শুরু করি, তখন অনলাইনে আউটসোর্স করার মতো এতো বড় বড় মার্কেট ছিলো না।  আজকে যারা কাজ করছেন বা করবেন তাদের জন্য অনেক কিছুই তৈরি রয়েছে।  কাজ মজুত রয়েছে, খুঁজতেও হবে না।  প্রয়োজন শুধু যথাযথ ট্রেনিং এবং শিক্ষা আর পরিশ্রম। নিজেকে উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।  একাগ্রভাবে কাজ করে গেলে অনলাইন আউটসোর্স স্বর্ণ বা হীরক খনি থেকে কোনো অংশেই কম নয়!

আপওয়ার্ক Upwork হলো একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস।  যেখানে আপনি কম্পিউটার রিলেটেড যে কোন কাজ করে ইনকাম করতে পারেন।  এজন্য আপনাকে প্রথমেই যে কাজটি শিখতে পারেন তা হলো এসইও (SEO- Search Engine Optimization)  যে SEO  ভালোভাবে জানে সে Upwork এর অনেকগুলো কাজের সেক্টরে সহজেই কাজ করতে পারে।  SEO দিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন।  এর পর কম্পিউটারের যে কাজে আপনার আগ্রহ বেশী সে কাজে ট্রেনিং নিয়ে ধীরে ধীরে নিজেকে দক্ষ করে তুলুন।  

মনে রাখবেন, কিছু অর্জন করতে চাইলে অব্শ্যই  আপনাকে শিখতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে।  পরিশ্রম ও একাগ্রতা ছাড়া ভালো কোনকিছু অর্জন করা সম্ভব নয়! এটাই আসল কথা।  আর দক্ষতা না থাকলে কেউ আপনাকে কাজ দেবে না।  সঙ্গে সততা এবং দূরদর্শীতা আগ্রহীদের অনেক দূরে এগিয়ে নেবে।  

WHAT JOBS YOU CAN DO IN ONLINE MARKETPLACE?
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কী কী কাজ করা যায়?
..................................................

SEO (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান) শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্রাউজিং জানা থাকলেই আপনি কাজটি শিখতে পারেন।  যিনি SEO জানেন তিনি  নিম্নলিখিত সেক্টরগুলিতে সহজেই কাজ করতে পারেন।  SEO, ডাটা এন্ট্রি data entry, ওয়েব রিসার্চ web research, এসইএম(SEM), -কমার্স মার্কেটিং e-commerce marketing ইত্যাদি. এছাড়া উচ্চ ও স্বল্প পারিশ্রমিকের আরও অনেক কাজ রয়েছে যেমন -

গ্রাফিক্স ডিজাইন graphic design

ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব মেনটেন্যান্স web design, development & web maintenance

ওয়েব অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট web apps development

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট software development

অনুবাদ translation

গ্রাহক সেবা customer service

বিক্রয় বিপনন সেবা sales & distribution/marketing

অফিস সহকারি এর কাজ office assistantship

-মেইল মার্কেটিং email marketing/ সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং social media marketing

লেখার কাজ content/literature development


ঞ্জিনিয়ারিং/আর্কিটেকচারাল ডিজাইন Engineering/Architectural Design

অটোক্যাড AutoCAD ইত্যাদি।

.....................................

WHAT TRAINING AND EXPERTISE ENHANCE YOU A HUGE
যে সকল ট্রেনিং এবং দক্ষতা লক্ষ্য অর্জনে আপনাকে এগিয়ে নেবে
.....................................

> OUTSOURCING/FREELANCING (outsourcing and outsourcing training)

> Webdesign & Web Development (DEN provides best web design tutorials, best website designers, designer websites and web developer company. It’s a DEN of web designer established a best web design school).

> Web Application Development (PhP, ASP.Net C#)

> Search Engine Optimization/SEO( seo training is most potential in online income and promotions. DEN is a SEO Company which work, on search engine promotion, seo for website, seo service, seo internet marketing for website ranking (on page seo/off page seo) with a group of seo expert.

> Wordpress, Joomla, Drupal, Magento(CMS)

> Graphic Design (graphics is our good component in graphics training as we offer good graphic design courses for learning graphic design)

> Advanced Computer Networking

> E-Commerce site Development Training( professional training)

> AutoCAD Training

> CCNA Certification Support Training

..................................................
আপওয়ার্কে এর মতো আরো কয়েকটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেস
Few more popular online market place like upwork
......................................................

www.99designs.com

www.agentsolo.com

www.allfreelancework.com

www.contractedwork.com

www.coroflot.com

www.craigslist.org

www.designquote.net

www.elance.com

www.getacoder.com

www.GetAFreelancer.com 

www.Freelancer.com

www.guru.com

www.freelancers.net

www.freelancewriting.com

www.freelanceswitch.com

www.freelance.com

www.fiverr.com

www.Hiretheworld.com

www.ifreelance.com

www.jobbi.com

www.krop.com

www.upwork.com

www.peopleperhour.com

www.proz.com

www.scriptlance.com

www.sologig.com

www.translatorscafe.com

www.rentacoder.com


www.denbd.com

CONTACT

....................................

DEN (Digital Equality Network Ltd.)

H-79(3rd floor/left) R-12/A, Dhanmondi, Dhaka

Ph- 01743467778, 01717498633, 8115763

 

Email: info@denbd.com
https://goo.gl/Bh8Dv8

আমার ব্লগে আমি কর্মসংস্থান সহায়ক এরকম কিছু বাংলায বাংলা-ইংরেজি আর্টিকেল লিখব।  আপনারাও ইচ্ছে করলে আমার সাথে যোগ আলোচনায় অংশ নিতে পারেন দেশ সেবায়, বেকারত্ব বিমোচনে।  বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সামাজিকভাবে এগিয়ে নিতে এসব লেখা এবং পরামর্শ প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনামূলক কাজ করবে।

 

 

#graphics #Webdesign #.NetC#

 

 

 

·         WEB DESIGN TRAINING

web design, best web training centre in Bangladeshweb training in dhaka, best web design training institute  in Dhaka, web design course training in dhanmondi, professional web design training, best professional web design training in bangladesh, popular web design training in Bangladesh, good web design training institute in bangladesh

 

 


Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Science & Technology Thu, 22 Dec 2016 06:34:33 +0000
DEN in the field of IT Training, Web Training and Software since 2005 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/den-in-the-field-of-it-training,-web-training-and-software-since-2005 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/den-in-the-field-of-it-training,-web-training-and-software-since-2005

DEN in the field of IT Training, Web Training and Software since 2005 in Bangladesh.
(ডেন ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশের আইটি ট্রেনিং, ওয়েব ট্রেনিং এবং সফটওয়্যার সেক্টরে)
(www.denbd.com)
...............................................................................


Since 2003 DEN(Digital Equality Network) has been serving in the field of IT as a whole. Hence it's one of the most experienced and expert service provider with training. DEN is the popular and skilled
web design company in Bangladesh. In this sense it's also the prominent web development company as well as web app development company in Bangladesh from the very beginning of ICT Training & utilization exploration period!


Starting as a
IT training and small organizational software development company in Bangladesh DEN explore different employment generating training as youth development training and skill development training. DEN officially devoted it link people and alleviate poverty by using IT Technology. Starting education and training in this field youth are feeling inspired to get work, amusement and intervention which insisted them to motivate to get global information and platform at their palm! DEN promote both rural and urban youth in the field of outsource and freelance. Every year minimum 500-700 youth are getting trained from DEN Rural ICT & Service Centre GHAT. 15-20% of these youth are getting job or engage them instantly into entrepreneurship after finishing the course. In many ways DEN is the pioneer and most experienced IT Training, web Training organization and entrepreneurship development training provider organization in Bangladesh as- MS Office training in Bangladesh

Outsourcing training in Bangladesh, IT training in Bangladesh, web design in Bangladesh, web development in Bangladesh, Rural IT training in Bangladesh, Rural Outsourcing training in Bangladesh, Rural web training in Bangladesh, freelance training in Bangladesh.

.....................................

OUR POPULAR WEB TRAINING & OTHER COURSES

(আমাদের জনপ্রিয় ট্রেনিং কোর্স)

.....................................

OutsourceFreelance Training

Web Design

Web Development

Web Application(PhPASP.Net#)

PhP Training Bangladesh

.Net Training Bangladesh

Search Engine Optimization /SEO

WordpressJoomlaDrupalMagento(CMS)

Graphic Design

> Advanced Computer Networking

Computer Hardware Troubleshoot

E-Commerce

CCNA Certification

> AutoCAD Training

> Polytechnic Institute Industrial Attachment

............................................................................................................ 

WEB SOLUTIONS & SOFTWARE SERVICE

............................................................................................................

Website & Web Portal

E-Commerce Site Development

Web Apps Development

> School-College WebsiteInstitute Website

​> School Management System

Customized  SOFTWARE

 (Hospital Management System/Industrial Management System etc)

> KenaBecha(SME Business Management System )

Corporate Networking

> CCNA Certification Training

> Office Automation & office security system

....................................

CONTACT

....................................  

DEN :: H-79(3rd floor/left) R-12/A, Dhanmondi, Dhaka

Ph- 01717498633, 01743467778, 8115763

www.denbd.com
http://goo.gl/Bh8Dv8

 

WEB Training, SEO & OUTSOURCE, Freelance Training in DEN

................................................................... 

DEN focuses technology to positively transforming society gradually with some stages and tunes it with updating sustainability for scaling up considering the society and mastering. Training, Internship, Linking, Employment, Entrepreneurship development etc maneuvering successfully by DEN while technological equality among the people as mirroring. THUS DEN is the best-

            

           web training institute in Bangladesh

           web design training center in Dhaka Bangladesh.

           web development training center in Dhanmodi Bangladesh.

           web design & development training center in Bangladesh.

           web application training centre in Bangladesh.

           Best Joomla training centre in Bangladesh.

           Best wordpress training centre in Bangladesh.

           Best Drupal training centre in Bangladesh 

           Best magento training centre in Bangladesh.

           Best graphic design training centre in Bangladesh

           Best CCNA Certification training centre in Bangladesh.

           Best e-commerce training centre in Bangladesh.

           Best PhP training centre in Bangladesh.

           Best ASP.Net training centre in Bangladesh

           Best Outsource training & Freelance centre in Bangladesh.

           Best SEO Internet Marketing Training centre in Bangladesh.

           Responsive web design training in dhaka

           Best Web Apps Development Training in Bangladesh

           Best MS Office Application Training in Bangladesh

           Best Responsive Web Training in Bangladesh

 

 

 


Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Computer and Internet Mon, 20 Jun 2016 09:32:25 +0000
QUALITY WEB APPS DEVELOPMENT TRAINING! http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/quality-web-apps-development-training http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/quality-web-apps-development-training

QUALITY WEB APPS DEVELOPMENT TRAINING!

.................................................................................

When you have completed your web design & web development course successfully with some practical experiences, independent design and development, you can start web application development training course. Web Apps Development is the world most demandable highly paid jobs all over the world. Application development expertise makes one a global respectable professional whether you work in an organisation, work online, work as freelancer or work as specialist consultant.

Web solutions and service need apps, company as a whole in the contemporary corporate world need such support globally to explore business, service and support. SO A GOOD APP DEVELOPER is an significant key player in the corporate business world! As a result you need not to seek job or employment rather they must seek you! It's the demand and skill priority in the field of IT and Web Technology.

Hence, DEN the most frontline IT/WEB Training and Web Solutions provider company since 2005 has been serving globally with rural skill development initiative for youth. Since inception it priorities youth & unemployed people skill development and entrepreneurship development. IT also focuses some additional pinpoint on women empowerment in the field of IT and soft-skills.

So DEN is the most popular web application training institute in Bangladesh from the very beginning with highly qualified trainer with live projects onward. Providing best web app training DEN established some experts who are performing globally and established themselves. Having most experience web apps development training DEN invites youth to join our web training course and spread your wings with us an enormous sky of success where dreams come true to your palm!   

 
.....................................
OUR POPULAR TRAINING COURSE
(
আমাদের জনপ্রিয় ট্রেনিং কোর্স)
.....................................
> 
Outsource & Freelance Training
> Web Design
> Web Development
> Web Application (PhP, ASP.Net #)
> 
PhP Training Bangladesh
> 
.Net Training Bangladesh
> Search Engine Optimization /SEO
> Wordpress, Joomla, Drupal, Magento (CMS)
> 
Graphic Design
> Advanced Computer Networking
> Computer Hardware Troubleshoot
> E-Commerce
> CCNA Certification
............................................................................................................
WEB SOLUTIONS & SOFTWARE SERVICE
............................................................................................................
Website & Portal
E-Commerce Site
> 
Web Apps Development
> School-College & 
Institute Website
> 
Customized  SOFTWARE (HMS/Industrial Management System etc)
> KenaBecha(
SME Business Management System)
> 
Corporate Networking
> CCNA Certification Training
> Office Automation
....................................
CONTACT
....................................  
DEN :: H-79(3rd floor/left) R-12/A, Dhanmondi, Dhaka
Ph- 01717498633, 01743467778, 8115763
www.denbd.com

b2ap3_thumbnail_WebApp_May_20160510-111916_1.jpg

.....................................
WHY CHOOSE DEN WEB TRAINING
কেন ডেন/DEN- ট্রেনিং কোর্স করবেন
.....................................
DEN is the 
best website design and development training company in Bangladesh. Since 2005 it has been conducting training and youth skill development in outsourcing and freelancing sector in Bangladesh and global platform. It also the most popular and largest Web Training and Web solution, e-commerce solutions, ERP and customized software developer in Bangladesh widely meeting foreign customer demand. Beside these DEN Training is best in different CMS and Joomla, Wordpress, Magento and others platform. For youth it also provides graphic design course and office networking training course.

1.      DEN, the best IT company of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the 
best web design training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the 
best web development training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the 
best web application development  training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the 
best web design & development training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the
best OUTSOURCE & FREELANCE training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the
best Search Engine Optimization (SEO) training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the
best E-commerce site development & training institute of Dhaka, Bangladesh.
DEN, the
best web apps development training centre in Bangladesh
DEN, the
best graphic design  training centre in Bangladesh
#webdesign #outsourcing #seo

 


   


Read More]]>
mahmudtokon@denbd.com (mahmud tokon) Computer and Internet Tue, 10 May 2016 11:09:38 +0000
☞ফ্রীলান্সিং করতে ইচ্ছুক ?? http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E2%98%9E%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%81%E0%A6%95 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E2%98%9E%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%81%E0%A6%95 ফ্রীলান্সিং করতে ইচ্ছুক ??

দিন দিন অনলাইন মার্কেটপ্লেস কাজের চাহিদা বেড়েই চলছে। আপনার আসে পাশের একটু তাকালে দেখবেন পরিচিত অনেকেই ফ্রীলান্সিং করে সচ্ছল ভাবে জীবন যাপন করছে ? আপনি কেনো চিন্তিত ? সবাই কাজ করতে পারলে আপনিও পারবেন। আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য এবং নতুন কিছু শিখার আগ্রহ থাকলে আপনিও সফল ভাবে ফ্রীলান্সিং করতে পারবেন।
ফ্রীলান্সিং এর পরিধি ?
ফ্রীলান্সিং হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড। আপনি বাংলাদেশ বসে আমেরিকা ,কানাডা , লন্ডন কাজ করবেন। বিশাল মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি ডলার থেকে ১০০০ ডলার পর্যন্ত কাজ পেতে পারেন

☞☞কি কি কাজ শিখে ফ্রীলান্সিং করা যায় ?

অনেক কাজ আছে যা শিখে আপনি ফ্রীলান্সিং করতে পারবেন। তবে বর্তমানে যেই কাজের চাহিদা বেশি মার্কেট তা নিচে পর্যায় ক্রমে দেওয়া হলো :-
ওয়েব ডিজাইন
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
ওয়ার্ড প্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট
গ্রাফিক্স ডিজাইন
এস
কনটেন্ট রাইটিং

☞☞কাজ পেতে কত দিন লাগবে ??

 

এইটা একটা কমন প্রশ্ন সবার। কিন্তু কাজ পাবার আগে কাজ টা তো ভালো ভাবে শিখতে হবে আপনি যদি কাজ না শিখেই কাজ পাবার আশা করেন তাহলে তো মুশকিল। যে কোনো কাজ আগে প্রপারলি শিখতে হবে। তারপর কাজ পাওয়ার চিন্তা করতে হবে।
ফ্রীলান্সিং কি পেশা ??
অবশ্যই ফ্রীলান্সিং একটি পেশা। আপনি অফিস এর কাজ বাসায় বসে করছেন। হতে পারে আপনি অফিস যাচ্ছেন না - তা ডিউটি করছেন না তার মানে এই নয় আপনি চাকরি করছেন না। আপনি বাংলাদেশে বসে বিদেশে কোনো কোম্পানি এর কাজ করছেন। কেউ যদি এইটা নিয়া আপনাকে কিছু ঠান্ডা মাথায় তাকে বুঝিয়ে দিবেন


Read More]]>
selim_cse_eng@yahoo.com (Jamal Selim) General Tue, 26 Apr 2016 09:07:39 +0000
সমন্বিত গলদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতি http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A4%E0%A6%BF http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A4%E0%A6%BF

ভূমিকাঃ প্রতিনিয়তই আমাদের দেশের আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। বর্ধিত জনসংখ্যার বাসস্থানের প্রয়োজনেই মূলতঃ কৃষি জমির পরিমাণ কমলেও বাড়ছে মানুষের খাদ্যের চাহিদা। ফলে ব্যাপক জনগোষ্ঠির জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের চাহিদা বর্তমান আবাদযোগ্য জমি থেকে প্রাপ্ত ফলন দ্বারা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রথমতঃ ক্রষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে এবং দ্বিতীয়তঃ সম্পদের সঠিক ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না বিধায় কৃষকের আয় বাড়ছে না। ফলশ্রুতিতে কৃষি প্রধান আমাদের এই দেশের মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই খাদ্যের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দূরাবস্থায় জীবন-যাপন করছে। এমতাবস্থায় কৃষি জমি ও সম্পদের সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই সম্পদের সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে লক্ষিত জনগোষ্ঠির অর্থনৈতিক ও সামাজিক ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়নের উদ্দেশ্যে মৎস্য চাষ সমপ্রসারণ প্রকল্পের অধীনে পরীক্ষামূলকভাবে করা হয়েছিল নীচু ধানক্ষেতের মিঠা পনিতে "সমন্বিত চিংড়ি চাষ কার্যক্রম"। কারণ ইতিমধ্যে এই খামার পদ্ধতিটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসায়িক কর্মকান্ড হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

সমন্বিত চিংড়ি চাষঃ অধিক আয়ের উদ্দেশ্যে একটি নির্দিষ্ট ধানের জমিকে গলদা চিংড়ি চাষের উপযোগী করে প্রস্তুত করণের পর সেখানে মিঠা পানির চিংড়ি (গলদা), সাদা মাছ, ধান ও শাক-সব্জি একত্রে চাষাবাদ করাই হচ্ছে "সমন্বিত চিংড়ি চাষ"। অর্থাৎ একটি জমির চারপাশে উঁচু আইল তৈরী করে আইলের ভিতরের দিকে ক্যানেল বা ড্রেনের মতো কেটে পানিকে দীর্ঘদিন আটকে রাখার ব্যবস্থা করে (১-দিক, ২-দিক) সেখানে গলদা চিংড়ি সাদা মাছ (সিলভার কার্প, কাতলা, বিগহেড ইত্যাদি), জমির মাঝখানের সমতল জায়গায় ধান ও আইলে শাক-সব্জি একত্রে চাষ করাই হচ্ছে "সমন্বিত চিংড়ি চাষ"। উল্লেখিত ফসলের মধ্যে গলদা চিংড়িই বেশী মূল্যবান তাই এই চাষ ব্যবস্থাকে "সমন্বিত চিংড়ি চাষ" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

সমন্বিত চিংড়ি চাষের গুরুত্বঃ আমদের দেশের বিভিন্ন জমিতে চাষ করা হয়। যেমনঃ যদি কোন জমিতে ধান চাষ করা হয় তবে ষেখানে শাক-সব্জি চাষ করা হয় না বা জতিতে শাক-সব্জি চাষ করলে ধান চাষ করা হয় না আবার মাছ চাষের জন্য পুকুরকেই নির্বাচন করা হয়। আবার শখের বসে যদি কেই চিংড়ি চাষ করে তবে পুকুরই শেষ ভরসা। এভাবেই চলঠে আমাদের বর্তমান চাষাবাদ অবস্থা। ফলশ্রুতিতে জমির সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে না এবং জমি থেকে প্রাপ্ত আয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছে না আমাদের চাষী ভাইয়েরা। এমতাবস্থায় সমন্বিত চাষের মাধ্যমে ছোট্ট এক টুকরা জমিকেও টাকার খনিতে রূপান্তরিত করা যায়। অর্থাৎ বিভিন্ন ফসল প্রথকভাবে চাষ না করে এক টুকরা ধানের জমিতে একই সাথে গলদা চিংড়ি, মাছ, ধান ও শাক-সব্জির চাষ করার মাধ্যমে একদিকে যেমন জমি থেকে প্রাপ্ত আয় বৃদ্ধি পায় অপরদিকে চাষাবাদের ঝুঁকি/ক্ষতির সম্ভাবনা কমে যায়। নিম্নে একর প্রতি (১০০ শতাংশ) জমির বাৎসরিক আয়ের তুলনামূলক তথ্য প্রদান করা হলোঃ

ক্রমিক নং ফসল একক চাষ সমন্বিত চাষ
১. ধান ১০,০০০ ১০,০০০
২. চিংড়ি (মিঠা পানির) - ৬০,০০০
৩. মাছ - ৮০০০
৪. শাক-সব্জি - ২০০০
  মোট ১০,০০০ (সর্বোচ্চ) ৮০,০০০(নুন্যতম)

সমন্বিত গলদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতিঃ সমন্বিত চিংড়ি চাষ পদ্ধতি হচ্ছে ধারাবাহিক কার্যক্রমের সমন্বয়। অর্থাৎ কাংখিত ফল পেতে হলে এই চাষাবাদ ব্যবস্থার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সামান্য অবহেলা আপনাকে অনেক লাভ থেকে বঞ্চিত করতে পারে। বাংলাদেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্জলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার চাষী ভাইয়েরা সমন্বিত চিংড়ি চাষ পদ্ধতির প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্ব ও যত্নের সহিত পালন করে এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে তাদের অতীত দুরাবস্থার থেকে অতি অল্প সময়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ভালো অবস্থায় আসতে পেরেছে। আর এতে এটি প্রমাণিত হয় যে, পরিশ্রম করলে অবশ্যই সফলতা আসে।

সমন্বিত চিংড়ি চাষ পদ্ধতির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে সমস্ত পদক্ষেপগুলো নিতে হবে তা হলোঃ
১. জমি নির্বাচন ও অবকাঠামো তৈরী।
২. জমি প্রস্তুতকরণ / উপযোগীকরণ।
♥ মজুদ পূর্ব ব্যবস্থা
♥ মজুদকালীন ব্যবস্থা 
♥ মজুদ পরবর্তরী ব্যবস্থা
৪. নার্সারী পুকুর থেকে জুভেনাইল (ছাটি) মূল জমিতে মজুদ, নিয়মিত খাদ্য প্রয়োগ ও যত্ন নেয়া।
৫. চিংড়ির সাথে অন্যান্য মাছের মিশ্রচাষ।
৬. আইলে শাক-সব্জি চাষ।
৭. নিয়মিত (মাসে দু'বার) চিংড়ির নমুনা পর্যবেক্ষণ।
৮. চিংড়ি আহোরণ ও বাজারজাতকরণ।
৯. চিংড়ি রোগ ব্যবস্থাপনা (সম্ভাব্য)।

জমি নির্বাচন ও অবকাঠামো তৈরী

জমি নির্বাচনঃ 
পূর্বেই বলা হয়েছে যে, সমন্বিত চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনায় ধানের সাথে গলদা চিংড়ি, মাছ (সিলভার, কাতলা) ও শাক-সব্জি একত্রে চাষ করা হয়। কিন্তু সব জমিই এই চাষাবাদ ব্যবস্থার জন্য উপযুক্ত নয়। যেমনঃ উচুঁ জমি বা যে জমিতে বালি মাটির পরিমাণ বেশী সে জমিতে পানি ধরে রাখা যাবে না তাই চিংড়ি ও সাদা মাছ চাষ করা যাবে না এবং সমন্বিত চাষ হবে না। তাই প্রথমে জমি নির্বাচন একান্ত জরুরী।

উপযুক্ত জমির বৈশিষ্ট্যঃ 
জলাবদ্ধ নিচু জমি বা ধান ক্ষেত । 
যেখানে ৭-১০ মাস বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায়। 
যেখানে কাঁদা মাটির পরিমাণ বেশী। 
বসত বাড়ির নিকটস্থ জমি। 

অবকাঠামো তৈরীঃ 
জমি নির্বাচনের পর নির্বাচিত জমিতে সমন্বিত চিংড়ি চাষের উপযোগী অবকাঠামো তৈরী করতে হবে। যেন জমির প্রতিটি অংশই সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়। 
অবকাঠামো তৈরীর ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণঃ 
(ক) আইল তৈরীঃ জমির পার্শ্বে পর্যাপ্ত উঁচু (বর্ষাকালে জমিতে আটকে থাকা পানির লেভেল থেকে ১ হাত উঁচু) ও মোটা/চওড়া (উপরে ২ ফুট নীচে ৩ ফুট) আইল তৈরী করে- 

নিম্নোক্ত সুবিধা অর্জন করা যায়ঃ 
জমিতে পানি ধরে রাখা যায়। 
চিংড়ি বা মাছ অন্য জমিতে যেতে পারে না। 
বাইরের পঁচা ও নোংরা পানি ভিতরে ঢুকবে না। 
আইলে শাক-সব্জি চাষ করে পারিবারিক চাহিদা মেটানো ও অর্থ উপার্জন করা যায়। 
(খ) ক্যানেল/ড্রেনঃ জমিতে আইলের ভিতরের দিকে আইল থেকে ৩-৪ ফুট জায়গা (বকচর) ছেড়ে দিয়ে ক্যানেল বা ড্রেন (৭-১০ ফুট চওড়া ও ৩-৫ ফুট গভীরতা) তৈরী করে- 
নিম্নোক্ত সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে হবে- 
চিংড়ি ও মাছের আশ্রয়স্থল হিবেবে কাজ করবে। 
সূর্যের তাপে পানি গরম হলে ক্যানেলের ঠান্ডা পানিতে আশ্রয় নিবে। 
শুকনা মৌসুমে জমিতে পানি ধরে রাখা যাবে। 
চিংড়ির খাদ্য প্রয়োগের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হবে। 
উল্লেখ্য জমির আয়তন ও চাষীর সামর্থ্য অনুযায়ী জমির ক্যানেল তৈরী করতে হবে। জমি বড় হলে কমপক্ষে ৩ দিকে ব্যানেল এবং ছোট হলে ২ দিকে ক্যানেল কাটতে হবে। জমিতে একটু বেশী চওড়া করে ১০-১ ফুট ক্যানেল কাটলে একদিকে হলেও চলবে। 

(গ) নাসর্রী পুকুরঃ অন্যান্য মাছের রেণুর মত চিংড়ির রেণুকে প্রথমেই চাষের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া উচিৎ নয়। কারণ এতে চিংড়ির রেণু বেশী পরিমাণ মারা যায়। তাই রেণুকে বাঁচানোর জন্য অবকাঠঅমো তৈরীর সময়ই নির্বাচিত জমির যে কোন এক পার্শ্বে প্রথম একটি জায়গা তৈরী করতে হবে যেখানে ৩০-৩৫ দিন রেণুকে প্রথকভাবে যত্ন নেয়া যায়। রেণুকে পৃথকভাবে যত্ন নেয়া যায়। রেণুকে পৃথকভাবে রাখার এই জায়গাকেই নার্সারী পুকুর বলে। নাসর্রী পুকুর সাধারনতঃ ছোট হলেই ভালো এবং জমির পরিমাণও সম্ভাব্য চিংড়ি মজুদ সংখা্যার উপর পুকুরের আকার নির্ভর করে। তবে সাধারণতঃ ৩ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ এবং ৩-৫ ফুট গভীরতাই উত্তম।

জমির প্রস্তুতকরণ সমন্বিত চাষের জমি প্রস্তুত করা হলো- ধান বা অন্য ফসল উৎপাদনের জন্য জমি তৈরী করা মতো। জমিতে ভাল ফসল পাবার জন্য যেমন আইল ঠিক করা, চাষ দেয়া, আগাছা পরিস্কার করা, সার প্রয়োগ এবং আনুসাঙ্গিক কাজ করে চারা রোপন করতে হয় তেমনই চিংড়ি চাষের জমিতে পোনা ছাড়ার পূর্বে আনুসাঙ্গিক কতগুলো কাজ করতে হয়। এতে করে পোনা উপযুক্ত পরিবেশ পায়। ফলশ্রুতিতে ভাল উৎপাদন পাওয়া যায়। তাছাড়াও চিংড়ি চাষে ভবিষ্যতের সমস্যাসমূহ যেমনঃ পানিতে দূষিত গ্যাস সৃষ্টি, চিংড়ির রোগ ইত্যাদির হাত হতে চিংড়িকে রক্ষা করতে চিংড়ি চাষের নির্ধারিত প্লট/জমিকে প্রস্তুত করা একান্ত জরুরী। সুতরাং জমি প্রস্তুতের মাধ্যমে নির্ধারিত প্লট/জমিকে চিংড়ি পোনা মজুদের উপযোগী করে তোলা অর্থাৎ তাদের জন্য একটা সুস্থ্য-সবল পরিবেশ তৈরী করে দেয়া হয়। 

ঘের বা খামার প্রস্তুত করার সময় কতগুলো পদক্ষেপ বা ধাপ অনুসরণ করতে হয়, সেগুলো হলোঃ ঘেরের পাড় মেরামত করা 
পর্যাপ্ত সূর্যের আলো নিশ্চিত করা ও আগাছা অপসারণ 
পেরী বা কাঁদা উঠিয়ে ফেলা 
রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত মাছ অপসারণ করা 
চুন প্রয়োগ করা 
সার প্রয়োগ করা 
সার প্রয়োগ করা 
পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি ও পোনা ছাড়ার উপযোগ্যতা যাচাই 

পাড় মেরামত করাঃ জমির পাড়ে যাতে এমন কোন বড় গাছ বা অন্য কিছু না থাকে যাতে পানিতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পড়তে অসুবিধা হয়। তা'ছাড়া ঘেরের ঢাল বা পাড়ে অনাকাঙ্খিত আগাছা থাকলে, পাড়ে গর্ত থাকলে, বিভিন্ন ধরনের রাক্ষুসে প্রাণী লুকাতে পারে যারা পোনা খেয়ে ফেলতে পারে ( যেমনঃ সাপ, উদ, বেজী ইত্যাদি)। তাছাড়া পাড় যাতে ভাঙ্গা না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বন্যার পানি বা পাশর্্ববর্তী জমির পানি অনুপ্রবেশ জনিত অসুবিধার সৃষ্টি না হতে পারে। ঘের তৈরীর সময় ঘেরে পানি আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কারণ পানি আসা-যাওয়ার সাথে ঘেরের পানির গুণাগুণ নির্ভর করে। 

পর্যাপ্ত সূর্যের আলো নিশ্চিত করা ও আগাছা অপসারণঃ জমিতে অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত জলজ উদ্ভিদ জন্মাতে পারে যা ডুবন্ত বা ভাসমান বা অর্ধ ডুবন্ত যারা পানি থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে খাদ্য উপাদার কমিয়ে ফেলে এবং এরা পর্যাপ্ত সূযের আলো প্রবেশ করতে দেয় না এবং রাতে পানি হতে অক্সিজেন গ্রহণ করার ফলে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয় তাছাড়াও সালোক সংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরী প্রক্রিয়া ব্যহত করে ও আগাছা পচনের বিষাক্ত গ্যাস তৈরী করতে পারে ফলে জমি চিংড়ি চাষের অনুপযোগী হয়ে যায়। তাই জমি প্রস্তুতের সময় এবং পরবর্তী সব সময় এগুলো অপসারণ করতে হবে। 

পেরী বা কাঁদা উঠিয়ে ফেলা (মাছ/চিংড়ি চাষকৃত পুরাতন জমি): চিংড়ি ও মাছের উৎপাদনের জন্য চিংড়ি চাষীরা প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার খাবার দিয়ে থাকে। এদর সবটাই চিংড়ি বা সাদা মাছ গ্রহণ করে না। ফলে অবশিষ্টাংশ পঁচে পানির তলায় জমা হয়। এছাড়া বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদ মরে পচে মাটিতে মিশে এবং ঘেরের পাড়ের মাটি তলায় জমে জ্রচুর কাঁদার সৃষ্টি করে থাকে। এসব থেকে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস সৃষ্টি হয় এবং এতে পানির গুণাগুণ নষ্ট হয়। চিংড়ি এবং সাদা মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই চিংড়ি চাষের জমি তৈরীর সময় অতিরিক্ত কাঁদা তুলে ফেলতে হয়। উল্লেখ্য নতুন চিংড়ি চাষের জমি হতে প্রথম ৩ বৎসর কাঁদা অপসারনের প্রয়োজন নেই। 

রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত মাছ অপসারণ করাঃ চিংড়ি খামারে পোনা মজুদের পূর্বেই নিশ্চিত করতে হবে যে, খামারে রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত প্রজাতির মাছ নেই। আর রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত মাছ থাকলে ঘের ব্যবস্থাপনা ভালো হবে না। কারণ রাক্ষুসে প্রজাতিরা (যেমনঃ বোয়াল, শোল, টাকী, কই, আইর, কাকিলা, চিতল ইত্যাদি) মাংস ভোজী বিধায় এরা অন্য সকল প্রজাতি ভক্ষণ করে। তা'ছাড়া অবাঞ্চিত প্রজাতি (যেমনঃ মলা, ঢেলা, পুটি ইত্যাদি) এরা রাক্ষুসে নয় কিন্তু চাষযোগ্য পোনার খাবার এবং অক্সিজেন এ ভাগ বসায়। 
তা'ছাড়া আমাদের দেশের চিংড়ি চাষীরা পূর্ববর্তী বছরের চিংড়ি রেখে দেন পরবর্তী বছর ভালো বাজার পাবার আশায় কিন্তু গলদা চিংড়ি স্বজাতিভোজী তাই সুযোগ পেলে তারা পরবর্তী বছরের রেণু পোনা খেয়ে ফেলে। এজন্য পূর্ববর্তী পোনা না রাখাই ভালো। 
রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত প্রজাতি অপসারণের ক্ষেত্রে চাষীদের আর্থিক ক্ষমতা ও প্রাকৃতিক উৎপাদনশীলতা বিবেচনা করে। 

নিম্নোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারেঃ (ক) বারবার জাল টেনে-এতে রাক্ষুসে এবং অবাঞ্চিত মাছ অপসারণ করা সম্ভব। 
(খ) ঘেরের পানি শুকনো- ২/৩ বছর পর পর ঘেরের পানি শুকালে ভাল হবে। 
তবে সে ক্ষেত্রে পানির উৎস বিবেচনায় রাখতে হবে। 

চিংড়ি চাষের জমি শুকানোর সুবিধাঃ অতিরিক্ত কাদা বা তলানী দূর করা 
রাক্ষুসে বা অবাঞ্চিত মাছ অপসারিত করা 
সূর্যের তাপে ঘেরের তলদেশের মাটি পুষ্টি সমৃদ্ধ হয় 
তলার মাটির বিষাক্ত গ্যাস দূরীভূত হয়, তবে বিবেচনা করতে হবে পুনরায় পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা যাবে কিনা।

যদি উপরের পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করা সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত হারে রোটেনন প্রয়োগ করা যেতে পারে। (গ) রোটেনন প্রয়োগঃ

প্রয়োগ মাত্রা আয়তন গভীরতা শক্তি বিষাক্ততার মেয়াদ
১৮-২০ গ্রাম প্রতি শতক প্রতি ফুট পানির জন্য ৯.১ ৭-১০ দিন
২০-২৫ গ্রাম প্রতি শতক ৭%

 

চুন প্রয়োগ করাঃ চিংড়ি ও মাছ চাষের ক্ষেত্রে চুনের ব্যবহার হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে চুনের গুনের শেষ নেই। যেমনঃ 
চুন ব্যবহার মাটি ও পানির ক্ষতির রোগজীবানু ধ্বংস হয়। 
চুন প্রয়োগে (চুনে ক্যালসিয়াম থাকে) মাছ ও চিংড়ির দৈহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
চুন নিয়মিত ব্যবহারে রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। 
চুন প্রয়োগে পানির ঘোলাটে ভাব দূর হয়ে পানির ভিতরে সূর্যের আলো প্রবেশে সহযোগিতা করে ও প্রকৃতিক খাদ্য তৈরীর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। 
চুন সারের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করে। 
পানিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া পানিতে থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করায় চিংড়ির অক্সিজেনের অভাব হয়। চুন প্রয়োগ করলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাকটেরিয়াগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে ফলে তাদের অক্রিজেন ব্যবহার কমে যায়। 

প্রয়োগ মাত্রাঃ চুন প্রয়োগ মূলত নির্ভর করে জমির মাটির গুনাগুনের উপর। চিংড়ি চাষের জমি তৈরীর সময় পাথুরে চুন শতাংশে ১ কেজি হারে ব্যবহার করা উত্তম। 
ব্যবহার পদ্ধতিঃ 
শুকনা জমির জন্যঃ জমিতে যখন পানি থাকে না অর্থাৎ শুকনা জমিতে পাথুরে চুন গুড়া করে জমিতে ছিটিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। 
পানি থাকা অবস্থায়ঃ চাড়ি বা মাটির গর্তে পরিমানমত চুন ৮-১০ (প্রয়োজনে ৩-৪ ঘন্টা পরে ও ব্যবহার করা যায়।) ঘন্টা পূর্বে ভিজিয়ে গুলিয়ে নিতে হবে। উক্ত চুন ঘেরের পানিতে বা শুকনো ঘেরের চাতাল ও পাড়ের মাঝের খালে ও ঢালে ছিটিয়ে দিতে হবে। 

সার প্রয়োগ করাঃ চুন প্রয়োগের অন্তত ৫-৭ দিন পর জমিতে তলার প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য জৈব সার বা কম্পোষ্ট সার বা সবুজ সার বা প্রয়োজনে অজৈব সার ব্যবহার করা যেতে পারে। জৈব সার হিসেবে হাঁস-মুরগীর বিষ্টা, পানিতে সরাসরি না দিয়ে অন্ততঃ ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর প্রয়োগ করা উত্তম। তবে শুকনা জমিতে সরাসরি প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। 

চিংড়ি চাষের জমি তৈরীর সময় নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করা যেতে পারেঃ

প্রতি শতাংশে- পানিতে প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রতি শতাংশে- পানিতে প্রয়োগের ক্ষেত্রে
গোবর / কম্পোষ্টঃ ৩-৫ কেজি বা গোবরঃ ৩০-৪০ কেজি
হাঁস-মুরগীর বিষ্টাঃ ২-২.৫০ কেজি হাঁস-মুরগীর বিষ্টাঃ ১৫-২০ কেজি

ইউরিয়াঃ ১০০ গ্রাম চিংড়ি চাষের ক্ষেত্রে খুব একটা প্রযোজ্য নয়। 
টিএসপিঃ ১০০ গ্রাম 
[বিঃ দ্রঃ এখানে মনে রাখা দরকার যে, সার প্রয়োগের মাত্রা সব সময় ঠিক থাকবে না। অবস্থা ভেদে এর পরিবর্তন করতে হতে পারে।]

পানিতে প্রকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি ও পোণা ছাড়ার উপযোগ্যতা যাচাইঃ 
সার প্রয়োগের সময় পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরী হয়। পানিতে আনুবিক্ষণীক ও দৃশ্যমান বিভিন্ন প্রকার শেওলা ও প্রণী কনাই হলো প্রকৃতিক খাদ্য। প্রাকৃতিক খাদ্যে চিংড়ির স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুকুরের পানির রং দেখেও পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্যর উপস্থিতি বুঝা যায়। প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরীর জন্য আলো, তাপ, পুষ্টি পদার্থ ও অনুকুল পরিবেশের প্রয়োজন হয়। পরিবেশের তারতম্যের জন্য এই প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎপাদনেও হ্রা-বৃদ্ধি ঘটে। 
প্রাকৃতিক খাদ্যের সঠিক মাত্রা নিূপণ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। সার প্রয়োগের ৫-৭ দিনের মধ্যে পানিতে খাবার তৈরী হয়েছে কিনা তা বুঝা যাবে। পানির রঙ হালকা সবুজ, লালচে ও বাদামী সবুজ হলে বুঝতে হবে খাদ্য তৈরী হয়েছে। তাছাড়া প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরী হয়েছে কিনা তা বুঝা যাবে- 

সেকী ডিস্ক ব্যবহার করে 
স্বচ্ছ কাঁচের গ্লাস ব্যবহার করে 
হাত দিয়ে 

সেকী ডিস্ক পদ্ধতিঃ 
সেকী ডিস্ক পানিতে ডুবানেরা পর-

লাল সুতা পর্যন্ত বেশী খাদ্য সার দিতে হবে না, পোণা ছাড়া যাবে না
সবুজ সুতা পর্যন্ত ভালো খাদ্য পোণা ছাড়া যাবে, নিয়মিত সার দিতে হবে
সাদা সুতা পর্যন্ত খাদ্য নেই সারের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে


হাতের তালু পদ্ধতিঃ 
সূর্যের আলোয় আলোকিত দিনের ১০-১১ টায় হাতের কনুই পর্যন্ত পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে হাতের তালু / পাতা যদি দেখা না যায় তবে বুঝতে হবে পরিমিত প্রাকৃতিক খাদ্য নেই এবং নিয়মিত সার দিতে হবে। অর্থ্যৎ হাতের তালু না দেখা গেলে বুঝতে হবে পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য আছে। 
স্বচ্ছ কাঁচের গ্লাসে পানি নিয়েও এ কাজ করা যায়।

গলদা চিংড়ির রেণূ মজুদ উল্লেখিত চিংড়ি চাষের জমি প্রস্তুতের ধাপগুলো অনুসরণ করে জমি প্রস্তুত করার পর গলদা চিংড়ির রেণু মজুদের ব্যবস্থা করতে হবে। সমন্বিত চিংড়ি চাষের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তার মধ্যে নাসর্রী পুকুরে রেণু মজুদ ও এর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রেণু পর্যায়ে এর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশী। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চিংড়ির রেণু মজুদের পর ৩০-৪৫ দিন বেশেষভাবে যত্ন নিতে হবে, তাহলে পরবর্তিতে আর তেমন কোন ঝুঁকি থাকে না এবং রেণু মৃতু্হার হার খুব কম হয়। ফলে চাষী ভাই তার কাংখিত ফল পায়। আর তাই একজন চাষী ভাইকে গলদা চিংড়ির রেণু মজুদ করার নিয়ম এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে খুব ভালো করে জানতে হবে। এইজন্য গলদা চিংড়ির নার্সারী ব্যবস্থাপনার সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হলোঃ 
গলদা চিংড়ির নার্সারী ব্যবস্থাপনাঃ 

গলদা নার্সারী কি ? 
গলদা রেণু পোনাকে বলা হয় পোষ্ট লার্ভা বা পিএল। এই গলদা রেণুকে ছোট আকারের পুকুরে (জমির ভিতরে পৃথক জায়গায়) পরিকল্পিতভাবে লালন-পালন করে কিশোর চিংড়ি (জুভেনাইল বা ছাটি) উৎপন্ন করাকে গলদা নার্সারী বলে। 

কেন নার্সারী করা প্রয়োজন ? 
গলদা রেণুকে মানব শিশু সাথে তুলনা করা যেতে পারে। মানব শিশুটির (অবুঝ) যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য যেমন আমরা বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে থাকি যাতে সে বেড়ে উঠতে পারে সেরূপ রেণুর ক্ষেত্রেও বেশেষ যত্নের প্রয়োজন। কারণ রেণু পর্যায়ে এরা থাকে দুর্বল এবং অসহায়। তার উপর পরিবহনের ফলে সে আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। তা'ছাড়া রেণু পর্যায়ে সাপ, ব্যাঙ, হাঁসপোকা, রাক্ষুসে মাছ ইত্যাদির হাত থেকে বাঁচার ক্ষমতা তার থাকে না। সে কারনে অপরিকল্পিতভাবে অনেক বড় জায়গায় রেণু মজুদ করলে ৫০-৬০ ভাগ রেণূ মরে যেতে পারে বলে কৃষক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই রেণু মজুদের গুরুত্বপূর্ণ এবং এত রেণুর মৃতু্যহার অনেকাংশে কমে যায়। 

গলদা চিংড়ির নার্সারী ব্যবস্থাপনার ধাপঃ 
ক. মজুদ পূর্ব ব্যবস্থাপনাঃ 
নার্সারীর আকারঃ নার্সারী পুকুরের আকার ৫-১০ শতাংশের মধ্যে হওয়া ভালো। এক্ষেত্রে ধান ক্ষেতের ১ টি ক্যানেল বা গর্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। 

গভীরতাঃ নার্সারী পুকুরের গভীরতা ৩-৪ ফুট এর মধ্যে হলে ভালো কারণ এতে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পড়ে ও অঙ্জনের ঘাটতি থাকে না। 

নার্সারী পুকুরের তলদেশ শুকানোঃ গলদা চিংড়ির নাসর্ারীর ক্ষেত্রে পানি অপসারণ করে পুকুরের তলদেশ ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে এবং আগাছা দূর করতে হবে। 

চুন প্রয়োগঃ শতাংশে ১ কেজি হারে পাথুরে চুন প্রয়োগ করতে হবে। পুকুর শুকালে চুন গুড়া করে সরাসরি এবং পানি থাকলে পানিতে গুলিয়ে ছিটাতে হবে। 

প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরীঃ চুন প্রয়োগের ৩-৫ দিন পরে শুধুমাত্র গোবর প্রতি শতাংশে ৩-৫ কেজি পানিতে গুলিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে। 

জলজ পোকামাকড় দমনঃ জলজ পোকা যেমনঃ হাঁস পোকা ছোট রেণুর ক্ষতি করে। তাই রেণু ছাড়ার আগের দিন প্রতি শতাংশে ১২৫ মি.লি. ডিজেল বা কেরোসিন পানির উপর ছড়িয়ে দিলে ৪-৬ ঘন্টার মধ্যে হাঁস পোকা সহ অন্যান্য পোকা মারা যায়। পরে চট জাল বা কাপড় দিয়ে কেরোসিনসহ পোঁকা তুলে ফেলতে হবে। পোকা মাকড় দমনের ক্ষেত্রে কোন কীটনাশক অবশ্যই ব্যবহার করা যাবে না। 

চিংড়ির আশ্রয়স্থল স্থাপনঃ চিংড়ির নার্সারীতে আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা করতে হবে।রেণু বাঁচার হার অনেকাংশে নির্ভর করে নার্সারীতে স্থাপিত আশ্রয়স্থলের উপর। চিংড়ির বৃদ্ধি খোলস বদলানোর মাধ্যমে হয়ে থাকে। খোলস বদলানোর সময় চিংড়ি দুর্বল থাকে। চিংড়ির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এরা স্বজাতিভোজী। সব চিঙড়ি একসাথে খোলস বদলায় না। তাই এ সময় সবল চিংড়ি অর্থাৎ যেগুলো খোলস বদলায় না সেগুলো দুর্বল গুলোকে খেয়ে ফেলে। কাজেই এসময় দুর্বল চিংড়ির জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল প্রয়োজন হয়। তাই পোণা মজুদের পূর্বে পুকুরে চিংড়ির জন্য আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আশ্রয়স্থল হিসেবে শুকনো বাঁশের শাখা-প্রশাখাসহ (ঝংলা) উপরের অংশ খুবই উপযোগী। প্রতি শতকে ১-২ টি করে বাঁশের ঝিংলা (বাঁশের শাখা প্রশাখাসহ উপরের অংশ) বা শুকানো ডাল পানিতে ডুবন্ত রাখতে হবে। 

আশ্রয় ছাউনী তৈরীঃ নার্সারী পুকুরের পানি যাতে অতিরিক্ত গরম হয়ে না যায় কিংবা পানি গরম হয়ে গেলে চিংড়ির রেণু ঠান্ডা জায়গায় আশ্রয় নিতে পারে সেজন্য নার্সারী পুকুরের উপরে অর্ধেকাংশে নারিকেল পাতা দিয়ে মাচার আকারে ছাউনী দিতে হবে। 

খ. মজুদকালীন ব্যবস্থাপনা- 

মজুদ ঘনত্বঃ প্রতি শতাংশে ৫০০-৬০০ টি গলদা রেণু মজুদ করা যেতে পারে। যদি নার্সারীতে ১৫-২০ দিন রেণু লালনের পরিকল্পনা থাকে সে ক্ষেত্রে প্রতি শতাংশে ১০০০-২০০০ রেণু মজুদ করা যেতে পারে। 
রেণু ছাড়ার সময়ঃ গলদা চিংড়ির পোনা অবশ্যই সন্ধ্যার পর মজুদ করতে হবে। তবে রাত ৮/৯টার মধ্যে মজুদ করা সবচেয়ে ভালো কারন দিনের বেলায় পানির তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায় ফলে রেণু তার শরীরে তা অভ্যস্ত করাতে পারে না। ফলে রেণু মারা যায়। কিন্তু রাত্রে পানির তাপমাত্রা খুব ধীর গতিতে কমতে থাকে। যা রেণুর জন্য তেমন অসুবিধা হয় না। তাই রেণু রাত্রেই ছাড়া উত্তম। রাতে রেণু ছাড়ার মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়া যায় যা কৃষকের মাঠে ১০০ ভাগ পরীক্ষিত। 
পোনা অভ্যস্তকরণঃ রেণুকে অবশ্যই পুকুরের পানির সাথে অভ্যস্ত করে ছাড়তে হবে। পাতিল / ব্যাগের পানির তাপমাত্রা ঐ পুকুরের পানির তাপমাত্রার সমতায় না আসা পর্যন্ত অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে। পাত্রের পানি আস্তে আস্তে পরিবর্তন করে পোণাসহ পাত্রটি কাত করলে রেণু স্বেচ্ছায় পানিতে বেরিয়ে যাবে। এই প্রক্রিয়া ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারে। রেণু পানিতে ছাড়ার ক্ষেত্রে কোনভাবেই তাড়াহুড়া করবেন না, পর্যাপ্ত তাপমাত্রা সঙ্গে রেণুকে খাপ খাওয়াতে হবে। কারণ রেণু বহন পাত্রে ও নার্সারী পুকুরর পানির তাপমাত্রার সমান্য পার্থক্যই রেণুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ছাড়ার সময় রেণু খাপ খাওয়ানোর প্রক্রিয়াকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। 

মজুদ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা- 
সম্পুরক খাদ্য প্রয়োগঃ গলদা চিংড়ি প্রাকৃতিক খাদ্যের উপর নির্ভর করে না। তাই তাকে প্রতিদিন পম্পুরক খাদ্য দিতে হবে। পোণা মজুদের পর প্রথম ৭ দিন প্রতি ৫০০০ রেণুর জন্য একমুঠ সুজি প্রতিদিন একবার সন্ধ্যায় দিতে হবে। কারণ চিংড়ি সাধারণত রাতেই আহার করে থাকে।

পরবর্তী ২য় ও ৩য় সপ্তাহের জন্য- ১ কেজির তৈরীতে-
মাছের গুড়া / মাংসের গুড়া ৪০% ⇒৪০০ গ্রাম
খৈল (সরিষা / সয়াবিন) ৪০% ⇒৪০০ গ্রাম
চিটাগুড় ১০% ⇒১০০ গ্রাম
এবং গমের আটা ১০% ⇒১০০ গ্রাম

উপরোক্ত পরিমাণে বিভিন্ন উপাদন একত্রে মিশিয়ে কাই তৈরী করে ডিমের আকারে বল তৈরী করে নিতে হবে। 
প্রতিটি ডিম আকরের বল প্রতিহাজর রেণুর জন্য সন্থ্যায় দিতে হবে। প্রতিটি বল আবার চারটি ছোট বল তৈরী করে যেখানে ঝোঁপঝাড় দেয়া হয়েছে সেখানে দিতে হবে। পরবর্তী সপ্তাহ গুলোতে এই খাবারের পরিমাণ ২০% হারে বাড়াতে হবে। 

রেণু বেঁচে থাকা পর্যবেক্ষণঃ রেণু বা পিএল ছাড়ার পরদিন পুকুরে গামছা বা মশারীর জালের খন্ড দিয়ে পুকুরের এক কোণায় টেনে রেণুর অবস্থা দেখতে হবে, যদি প্রতি চানে ৪/৫ করে রেণু আসে তবে বুঝতে হবে বাঁচার হার খুবই ভালো। কৃষক অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে, নার্সরী পুকুরে রেণু ছাড়ার পর দুইদিন টিকে গেলে পরবর্তীতে আর তেমন ঝুঁকি থাকে না। 
স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণঃ রেণূর স্বাস্থ্য ভালো আছে কিনা এবং স্বাস্থ্য বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে। পুকুরে গামছা বা মশারীর জালের খন্ড দিয়ে টেনে রেণুর অবস্থা দেখতে হবে, যদি রেনু গুলো খুব দ্রুত নড়াচড়া করে তবে বুঝতে হবেরেণুর স্বাস্থ্য ভাল আছে। 
এভাবে ৩০-৪৫ দিনে নার্সারীতে রেণু লালন পালনের পর বড় পুকুরে/ধানক্ষেতে মজুদ করতে হবে। 
গলদা রেণু চাষের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়ঃ 
♣ সন্ধ্যার পর রেণু মজুদ করা। 
♣ নার্সারীতে ঝোঁপঝাড় (ঝিংলা) দেয়া। 
♣ নিয়মিত সন্ধ্যার পর খাবার দেয়া। 
♣ রেণু বেঁচে থাকা পর্যবেক্ষণ করা। 
♣ নার্সরী পুকুরের যে কোন একপার্শ্বের ছায়ার ব্যবস্থা করা। 

হাঁপাতে গলদা চিংড়ির রেণু লালন পালন বা হাঁপা নার্সারী 
গলদা চিংড়ির রেণু লালন পালনের জন্য আরো একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলো হাঁপা নার্সরী। হাঁপা নার্সরীর যে কোন পরিস্কার পুকুরেই স্থাপন করা যেতে পারে। অর্থাৎ ছোট নার্সারী পুকুর বা পকেট ঘের (ধান ক্ষেতের একটি ক্যানেল বা খাল) এর সুবিধা না থাকলে এ পদ্ধদিতে গলদা রেণু লালন পালন করে মজুদ পুকুর বা ধানক্ষেতে ছাড়া যেতে পারে। 
হাপাঁ নার্সারীর প্রয়োজনীয় উপকরণঃ প্লাষ্টিক ফিল্টার নেট, নাইলন সুতা, বাঁশ, টিনের প্লেট, ঘরে তৈরী সম্পুরক খাবার, নারিকেলের/খেজুরের শুকনো ডাল-পাতাসহ অথবা বাঁশের আগালী (ঝিংলা)। 

পদ্ধতিঃ সুক্ষ্ম ফাঁসের প্লাষ্টিকের নেট দিয়ে হাঁপা তৈরী করতে হবে। হাঁপার আয়তন ২ মিঃ ২ মিঃ ১.৫০ মিঃ। এই আয়তন কম-বেশী করা যেতে পারে। এই হাঁপা যে কোন পরিস্কার পুকুরে বাঁশের খুটি দিয়ে স্থাপন করতে হবে। হাঁপা নার্সারীর জন্য ঐ পুকুরে চুন, সার দেওয়ার প্রয়োজন নাই হাঁপটি পানির তলদেশে মাটি থেকে একহাত উঁচুতে স্থাপন করতে হবে এবং পানির উপরে একহাত থাকবে। গলদার রেণুর খাবার প্রয়োগের জন্য নাইলন সুতা দিয়ে টিনের প্লেট এমনভাবে ঝুলিয়ে দিতে হবে যাতে খাবারের প্লেট হাঁপার পানির মাঝ বরাবর থাকে। প্রতি হাঁপাতে ২-৪ টি প্লেট ব্যবহার করা যেতে পারে। খেজুরের শুকনো ডাল পাতাসহ প্রতিটি হাঁপাতে ২টি করে দিতে হবে। যাতে গলদার রেণুর আশ্রয়স্থলের কাজ করে এবং খেজুর পাতার ডাল সাত/আট দিন পর পর পরিবর্থন করতে হবে। এবং সাতনি পর পর হাঁপাটিকে পরিস্খার করতে হবে যেন পানিতে আটকানো শেওলা হাঁপাতে লেগে না থাকে। 

খাবার প্রয়োগঃ হাঁপাতে যে টিনের প্লেট স্থাপন করা হবে তাতে খাবার দিতে হবে প্রতিদিনে মোট খাবার প্রয়োগের চারভাগের তিভাগ সন্ধ্যায় এবং একভাগ ভোরে প্রয়োগ করতে হবে।

খাবারের উপাদানঃ

 

শুটকী মাছের / মাংসের গুড়া- ৪০%
সরিষার খৈল ৪০%
ময়দা / আটা- ২০%

উপকরণ তিনটি পানিতে মিশিয়ে ছোটবল আকারে তৈরী করতে হবে এবং এই বল রৌদ্রে ভালো কর শুকিয়ে নিতে হবে। প্রয়োগের সময় বলটি ভালো করে গুড়া কর টিনের প্লেটে দিতে হবে। এভাবে প্রতি হাজার রেণুর জন্য প্রথম সপ্তাহে ৬০ গ্রাঃ হারে, ২য় সপ্তাহে ৮০ গ্রাঃ হারে, ৩য় ও ৪র্থ সপ্তাহে ১০০ গ্রাঃ হারে দিতে হবে। ৫ম ও ৬ষ্ঠ সপ্তাহে ১২০ গ্রাঃ হারে খাবার প্রয়োদ করতে হবে। খাবার প্রয়োগের পরিমাণ টিনের প্লেটে খাবারের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে কমানো বাড়ানো যেতে হবে। 

মজুদের পরিমাণঃ প্রতি বর্গমিটার জলায়তনে ১০০ থেকে ২০০ টি রেণু মজুদ করা যেতে পারে। মজুদের সময়কালঃ ৪০ থেকে ৪৫ দিন। হাঁপাতে লালন-পালন করে ধান ক্ষেতে বা মজুদ পুকুরে স্থানান্তর করতে হবে। 

সতর্কতাঃ 
১. অনেক সময় দেখা যায় কাঁকড়া হাঁপার নেট কেটে দেয় তাই সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। 
২. যেহেতু হাঁপা দীর্ঘদিন পানিতে থাকে তাই হাঁপা তৈরীতে দ্রুত পচনশীল কোন কাপড় ব্যবহার করা যাবে না।

নিয়মিত খাদ্য প্রয়োগ 
নিয়মিত খাদ্য প্রয়োগঃ সমন্বিত চিংড়ি চাষের বিভিন্ন পদক্ষেপ / কার্যক্রমের মধ্যে নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কারণ অন্যান্য মাছের মত চিংড়ি পানি থেকে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাবার গ্রহণ করতে পারে না। তাই অল্প সময়ে চিংড়িকে বিক্রি উপযোগী করার জন্য নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে। নার্সরী পুকুর থেকে মূল জমিতে জুভেনাইল স্থানান্তরের পর থেকে চিংড়ি বিক্রির পূর্ব পর্যন্ত চিংড়িকে খাদ্য প্রয়োগ করতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, খাদ্য প্রয়োগ ছাড়া কোনভাবেই চিংড়ি চাষকে লাভজনক করা যায় না। 
সম্পূরক খাদ্যঃ 
সাধারনতঃ পানিতে সার বা গোবর প্রয়োগ করলে পানিতে প্রাকৃতিক খাবার (উদ্ভিদ কণা ও প্রাণী কণা) উৎপন্ন হয় যা সিলভার কার্প, কাতলা, রুই, জাতীয় মাছ গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু চিংড়ি এই সমস্ত খাবার খেতে অভ্যস্ত নয়। তাই এদের জন্য বাইরের থেকে খাবার অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে। বাইরের থেকে খাবার প্রয়োগ করাকেই সম্পূরক খাবার বলে। 
চিংড়ির জন্য সম্পূরক খাদ্যঃ 
চিংড়িকে খাওয়ানোর জন্য বাজারের বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত খাদ্য কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু এই খাদ্যগুলোর দাম অনেক বেশী। যেহেতু চিংড়িকে নিয়মিত খাদ্য দিতে হয় আর একজন চাষী যদি বাজার থেকে চিংড়ি খাবার কিনে খাওয়াতে চান তবে, চাষাবাদ খরচ অনেক বেড়ে যাবে। ফলে চাষীর লাভের পরিমাণ কমে যাবে। তাই বাজার থেকে খাদ্য না কিনে সহজ পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপাদানের মাধ্যমে বাড়িতে খাদ্য তৈরী করে চিংড়িকে খাওয়ানোই উত্তম। এতে যেমন খাদ্যের পুষ্টিমাণ নিশি্টত থাকবে তেমনি খরচও কম (৫০%) হবে। বিভিন্ন উপাদান বিভিন্ন পরিমাণে মিশিয়ে চিংড়ির খাদ্য তৈরী করা যায়। তবে উপাদানের সহজ প্রাপ্যতা ও খাদ্যের পুষ্টিগুণ বিবেচনা করে চিংড়ির জন্য সম্পূরক খাদ্য তৈরীর ৩টি নিয়ম এখানে উল্লেখ করা হলোঃ

নিয়মঃ ১

উপাদানের নাম পরিমাণ
মাংস/শুটকী মাছের গুড়া ২৫%
খৈল (সরিষা/সয়াবিন) ২৫%
চাউলের কুঁড়া ২০%
আটা ২৫%
শাক-সব্জি ৫%
মোট ১০০%

নিয়মঃ ২

উপাদানের নাম পরিমাণ
মাংস/শুটকী মাছের গুড়া ২৫%
খৈল (সরিষা/সয়াবিন) ২৫%
চাউলের কুঁড়া ২০%
আটা ১৫%
ভুঁষি ১০%
শাক-সব্জি ৫%
মোট ১০০%

নিয়মঃ ৩

ক্রমিক নং উপাদানের নাম পরিমাণ
১. খৈল (সরিষা/সয়াবিন) ৪০%
২. আটা/ ময়দা ১০%
৩. চাউলের কুঁড়া ৪০%
৪. চিটা গুড় ১০%
  মোট ১০০%

উপরোক্ত ছকে উল্লেখিত প্রথম নিয়ম অনুসরণ করে যদি ১ কেজি খাদ্য তৈরী করা হয় তবে মাংসের /শুটকি মাছের গুড়া, খৈল ও আটা ? ময়দা সমান পরিমাণ অর্থাৎ ২৫০ গ্রাম ও ৫০ গ্রাম মিলিয়ে ১০০০ গ্রাম পূরণ করতে হবে। যদি বেশী পরিমাণ খাবার একসাথে তৈরী করা হয় তবে এভাবে সহজেই বিভিন্ন উপাদানের পরিমাণ বের করা যাবে। 
খাদ্য প্রস্তুত প্রণালীঃ 
পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, খাদ্য উপাদানের মাধ্যমে বাড়িতে তৈরী করা উত্তম। ছকে উল্লেখিত বিভিন্ন উপাদানের পরিমাণ ম্বলিত ৩টি নিয়মের যে কোন একটি বাছাই করে সে মোতাবেক উপাদানগুলো সংগ্রহ করতে হবে। 

তারপর নিম্নোক্ত উপায়ে খাদ্য প্রস্তুত করতে হবে- 
♣ খৈলগুলোকে খাবার তৈরীর একদিন আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। 
♣ শাকসব্জিগুলোকে একটু হালকা সিদ্ধ করে নিতে হবে। 
♣ এবার সবগুলো উপাদান (মাংস / মাছের গুড়া, খৈল, চালের কুঁড়া, আটা, ভূষি, শাক-সব্জি) একত্রে মিশিয়ে ঠিক রুটি বানানোর কাঁই এর মত তৈরী করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন পানির পরিমাণ বেশী না হয়ে যায়। 
♣ এবার মেশিন বা ছিদ্রযুক্ত টিনের থালার মাধ্যমে কাইগুলো দিয়ে সেমাই এর মত রৈী করে ১ ঘন্টা সূর্যের আলোতে শুকিয়ে নিতে হবে। 
♣ শুকানোর পর এই পিলেটগুলোকে (সেমাইয়ের মত) হাত দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে প্লাষ্টিক জার (বয়াম) টিন বা প্লাষ্টিকের বস্তায় ভরে প্রয়োজন মত চিংড়িকে খাওয়ানো যাবে। প্রতিবার প্রস্তুতকৃত খাদ্য ১৫-২০ দিনের মধ্যে চিংড়িকে খাইয়ে ফেলাই উত্তম। অর্থাৎ প্রতিবার ১৫-২০ দিনের আন্দাজে খাদ্য তৈরী করতে হবে। এতে খাদ্যের পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে। 

খাদ্য প্রয়োগ পরিমাণঃ 
চিংড়িকে তার প্রয়োজন মত খাবার দিতে হবে। কম দিলে চিংড়ির শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে এবং বেশী দিলে অপচয় হবে। যেহেতু চিংড়ি দিন দিন শারীরিকভাবে বড় হবে সেহেতু দিন দিন তার খাবারের পরিমাণও বাড়াতে হবে। আর এই কারণে খাদ্য প্রয়োগের পরিমাণ নির্ধারণ করা অনেকে জটিল মনে করে। কিন্তু সহজে এর পরিমাণ র্নিধারণ করা যায়। আকেটি চিংড়ির ওজন যত তার ৫% বা ৫ ভাগ খাবার তাকে দিতে হবে। অর্থাৎ যদি একটি চিংড়ির ওজন ১০০ গ্রাম হয় তবে পরিমাণ হবে ৫ গ্রাম। এভাবে হিসাব করে জমিতে আন্দাপ অনুযায়ী যতগুলো চিংড়ি আছে তাদের অদ্যের পরিমাণ নির্ধারন করে খাদ্য প্রয়োগ করতে হবে। তাই মাঝে মাঝে চিংড়ি তুলে আন্দাপ করতে হবে। মজুদের ৮০% বাঁচার হার ধরে খাদ্য দিতে হবে। 
৪-৫ টি চিংড়ির ওজন নিয়েই বুঝতে হবে গড়ে প্রতিটি চচংড়ির ওজন কত হবে এবং জমিতে কি পরিমাণ চিংড়ি আছে তা আন্দাজ করে মোট ওজন কত হবে। সে অনুযায়ী খাবার দিতে হবে। 
প্রয়োগের সময়ঃ 
সাধারণতঃ চিংড়ি নিশাচর প্রাণী এবং দিনের বেলা থেকে রাতেই চিংড়ি বেশী খাবার গ্রহণ করে। তাই খাদ্যের অপচয় কমানোর জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে চিংড়িকে খাদ্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সন্ধ্যায় একবার খাদ্য চিংড়ি চাষের জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। 
প্রয়োগের স্থানঃ 
সমন্বিত চিংড়ি চাষের জমির ক্যানেলে যেখানে ঝোঁপঝাড় (ঝিংলা) রাখা আছে সে জায়গাগুলোতে চিংড়ি চলাচল বেশী। তাই খাদ্য প্রয়োগের সময় এ স্থানগুলোতেই ছিটিয়ে দিতে হবে। 
চিংড়ির আশ্রয়স্থল তৈরী করাঃ 
গলদা চিংড়ির বৃদ্ধি খোলস পরিবর্তনের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সকল চিংড়ি একই সময়ে খোলস পরিবর্তন করে না। খোলস পাল্টানোর পর দুই ঘন্টা পর্যন্ত চিংড়ি দুর্বল থাকে চিংড়ির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এরা স্বজাতীভোজী তাই এ সময়ে সবল চিংড়ি অর্থাৎ যেগুলো খোলস বদলায় না সেযুলো দুর্বল গুলোকে খেয়ে ফেলে। কাজেই এ সময় দুর্বল চিংড়ির জন্য নিরাপদ আশ্রয় স্থলের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আশ্রয়স্থল হিসেবে শুকনা বাঁশের শাখা-প্রশাখাসহ (ঝংলা) উপরের অংশ খুবই উপযোগী। প্রতি শতাংশে ১-২ টি করে বাঁশের ঝিংলা বা শুকনো ডাল পানিতে ডুবন্ত রাখতে হবে। চিংড়ির বাঁচার হার অনেকাং শে নির্ভর করে আশ্রয়স্থলের উপর। তাই চিংড়ির জন্য আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা অতীব জরুরী।

চিংড়ির সাথে অন্যান্য মাছের মিশ্রচাষ 

মিশ্রচাষ কিঃ 
একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল একসাথে উৎপন্ন করা যায় এবং একটি ফসল অন্যটির জন্য ক্ষতিকর নয় বরং সহায়ক তাই মিশ্র চাষ। 

মিশ্রচাষের উপকারিতাঃ 
একটি জমি থেকে একই সময়ে একাধিক ফসল পাওয়া যায়। 
১. জমির সর্বেচ্চ ব্যবহার হয়। 
২. একটি আরেকটি থেকে সুবিধা পায়। 
৩. অর্থনৈতিকভাবে কৃষক লাভবান হয়। 
৪. মাটি ও পানির পরিবেশ ভালো থাকে। 

কেন মিশ্রচাষঃ 
চিংড়ির সাথে অন্যান্য কার্পজাতীয় মাছের চাষ করা চিংড়ির জন্য ভারো। কারণ ধান ক্ষেত বা পুকুর যেখানেরই চিংড়ির চাষ করা হউক না কেন সেখানে কিছু প্রাকৃতিক খাদ্য (সবুজ উদ্ভিদ ও প্রাণী কণা) জন্ম নেয় যা চিংড়ি খায় না। বরং এসব উদ্ভিদ কণিকা রাত্রে পানি থেকে অকিসজেন গ্রহণ করে ফলে পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। যা চিংড়ির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অনেক সময় চিংড়ি ব্যাপক হারে মারা যায়। তাই চিংড়ির সাথে কিছু সিলভার কার্প, কাতলা বা বিগহেড জাতীয় মাছ ছাড়লে এরা এই প্রাকৃতিক খাদ্য খেয়ে অক্সিজেন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এরা চিংড়ির সম্পূরক খাবারে ভাগ বসায় না। এরা এসব প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে চিংড়িকে বসবাসের উপযোগী করে তুলে। তাছাড়া আরা জানি চিংড়ি পানির নীচের অংশে থাকে এবং সিলভার কার্প, বিগহেড ও কাতলা মাছ পানির উপরে অংশে থাকে তাই চিংড়ির সাথে খাদ্য, আশ্রয় ইত্যাদির কোন প্রতিযোগিতা হয় না।

চিংড়ির সাথে অন্যান্য কার্প জাতীয় মাছের হিসাবঃ

নিম্নে প্রতি শতাংশ জলায়তনে চিংড়ি ও কার্প জাতীয় মাছের মজুদ ঘনত্ব বর্ণিত হলোঃ

ক্রমিক নং মাছের নাম পরিমাণ
১. গলদা জুভেনাইল (ছাটি) ৫০-৬০টি
২. সিলভার, বিগহেড, কাতলা ১০-১২ টি

চিংড়ির সাথে এই মাছগুলো ছাড়া অন্যান্য মাছ দেয়া যাবে না। কারণ সেগুলো চিংড়ির জন্য ক্ষতিকর।

আইলে শাক-সব্জি চাষ 

শাক-সব্জি চাষের গুরুত্বঃ
আইল হলো জমির একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ যা সাধারণতঃ পতিত ফেলে রাখা হয় ফলে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চি হয় না। সমন্বিত চিংড়ি চাষের বিভিন্ন ফসলের মধ্যে আইলে উৎপাদিত শাক-সব্জি অন্যতম। 
আইলে শাক-সব্জি চাষ করলে কৃষক অর্থনৈতিকভবে লাভবান হতে পারে এবং ঝুঁকি কমে যায়। ফলে তাকে দু'শ্চিন্তাগ্রস্থ হতে হয় না। কারণ একটি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অন্যটি দিয়ে পুষিয়ে নেয়া যায়। আইলে লতা জাতীয় গাছ যেমন- মিষ্টি কুমড়া, লাউ, শিম, চালকুমড়া, শশা, ঝিংগা, চিচিংগা, বাঙ্গি ইত্যাদি চাষ করলে পারিবারিক চাহিদা জূরণ করা যায় এবং বিক্রি করে ল্ভবান হওয়া যায়। তাছাড়া এসব লতা জাতীয় গাছ পানির উপর মাচা করে চাষ করলে প্রচন্ড রৌদ্রে পানি সহজে গরম হয় না। ফলে চিংড়ির মৃতু্যর ঝুঁকি কমে যায়। তাছাড়া মাচা থাকার কারণে চুরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। মাচা জাতীয় গাছের পাশাপাশি ঢেঁড়শ, পুঁইশাক, লালশাক, গিমা কলমী, চমেটো, মূলা, গাজর, ওলকপি, ডাটা, পেঁপে, বেগুন ইত্যাদ শাক-সব্জি চাষ করাও অধিক লাভজনক, এগুলি আইলের মাটিকে ক্ষয়রোধ থেকে সহায়তা করে। আগাছা হতে দেয় না। সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি আশ্রয় নিতে পারে না। 
এছাড়া কিছু কিছু সব্জি যেমনঃ গিমা কলমী সিদ্ধ করে চিংড়ির খাবারের সাথে মিশিয়ে চিংড়ির খাবার তৈরী করা যায় যা গুণগতমান সম্পন্ন। পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, সমন্বিত চাষাবাদ ব্যবস্থায় যে ফসলগুলো নির্বাচন করা হয় সেগুলো একটি অপরটির জন্য উপকারী। তাছাড়া সমন্বিত চাষের মাধ্যমে জমিকে পরিকল্পিতভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে টাকার খনিতে রূপান্তরিত হয়।

গলদা চিংড়ির নমুনা পর্যবেক্ষণ

নমুনা পর্যবেক্ষণ কি?
একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর গলদা চিংড়ির বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ইত্যাদি পরীক্ষা করার জন্য নমুনা হিসেবে কয়েকটি চিংড়ি ধরে পর্যবেক্ষণ করা বা দেখাই হচ্ছে নমুনা পর্যবেক্ষণ। 

নমুনা পর্যবেক্ষণ কেন করা প্রয়োজন ?
১. শারীরিক বৃদ্ধি হচ্ছে কি-না তার জন্য নমুনা পর্যবেক্ষণ করা অতীব জরুরী। 
২. চিংড়ি রোগাক্রান্ত হচ্ছে কি-না তা দেখার নমুনা পর্যবেক্ষণ। 
৩. খাবার প্রায়োগের জন্য নমুনা পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। 

নমুনা পর্যবেক্ষণ কিভাবে করা যায় ? 
১. ১৫ দিন পর পর ঝাঁকি জাল দিয়ে ৫-১০টি চিংড়ি ধরতে হবে। 
২. চিংড়িগুলোকে একত্র করে ওজন নিয়ে গড় ওজন বের করতে হবে এবং তা লিখে রাখতে হবে। 
৩. পরবর্তী ১৫ দিন পর ওজন নিয়ে আগের ওজনের পার্থক্য দেখে ওজন বৃদ্ধি পরীক্ষা করতে হবে। 
৪. নমুনায়িত চিংড়ি-গুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। চিংড়ির এন্টেনা (দাঁড়ি গোঁফ), রোষ্ট্রেম (করাত), লেজ, ফুলকা এবং সাতার পাঁ অঞ্চল ভালোভাবে দেখতে হবে। এসব এলাকা কালো হয়ে যাচ্ছে কিনা বা দাঁড়ি গোঁফ পচন ধরছে কিনা ইত্যাদি দেখতে হবে। 
এভাবে ১৫ দিন অন্তর অন্তর নমুনা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গলদা চিংড়ি আহরণ ও বাজারজাতকরণ 

গলদা চিংড়ি সাধারণতঃ ৮-১০ মাসের মধ্যেই বাজারজাতকরণ আকৃতিতে পৌছায়। সকল চিঙড়ি একই সময় বাজারজাত আকৃতিতে পৌছায় না। তাই ব্যবসায়িক দিক থেকে লাভবান হতে হলে যেগুলি বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়েছে সেগুলো বাজারজাতকরণ করাই উত্তম এবং পর্যায়ক্রমে বাজারজাতকরণ করতে হবে। গলদা চিংড়ি যেহেতু রপ্তানীযোগ্য পণ্য তাই বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সর্তকতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। 

চিংড়ি আহরণের উপকরণঃ 
চিংড়ি সাধারণতঃ বেড় জাল, ঝাঁকি জাল দিয়ে আহরণ করা হয়ে থাকে। তবে বৎসর শেষে পাম্প দিয়ে ড্রেন শুকিয়ে চিংড়ি আহরণ করা উত্তম। 

আহরণের পর করণীয়ঃ 
আহরণের পর দ্রুত বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে চিংড়ি আহরণ করার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোবাবে ধুয়ে নিতে হবে এবং সেগুলো ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে। স্থানীয় বাজারে এগুলো বাজারজাত করা যেতে পারে। তবে দূরে বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে পরিবহণের ব্যবস্থা করতে হবে। 
বর্তমানে চিংড়ি বাজারজাতকরণ দুইভাবে করা যায়। মাথাসহ পদ্ধতি ও মাথা ছাড়া পদ্ধতি। তবে মাথা ছাড়ানোর ক্ষেত্রে ভালো অভিজ্ঞতা না থাকলে না ছাড়ানোই উত্তম।

চিংড়ির রোগ ব্যবস্থাপনা 
সমন্বিত চিংড়ি চাষ বিষয়ক এই সহায়িকাটিতে উল্লেখিত জমি জ্রস্তুত, রেণু মজুদ, নিয়মিত খাদ্য প্রয়োগ ইত্যাদি বিভিন্ন পদক্ষেপসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করলে সাধারণত চিংড়ির রোগ বালাই হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। তথাপি যদি চিংড়ির রোগ বালাই দেখা দেয় তবে একজন চাষী ভাই যেন সে মূহুর্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে সেটা বিবেচনা করে নিম্নে রোগ বালাই ও প্রতিকার সম্বন্ধে আলোচনা করা হলোঃ 

রোগ হচ্ছে এমন এক অস্বাভাবিক অবস্থ যা কতিপয় লক্ষণ দ্বারা বুঝা যায়। চিংড়ি একটি খোলস বিশিষ্ট জলজ অমেরুদন্ডী প্রাণী এবং বিভিন্ন কারণে অনেক সময় পানিতে প্রতিকুল অবস্থায় তাকে বসবাস করতে হয়। তাই চিংড়ির রোগ হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। 

রোগ সৃষ্টির তিনটি প্রধান বিষয় হচ্ছেঃ 

১. রোগ সৃষ্টিকারী জীব (প্যাথজেন) 
২. পরিবেশিক প্রতিকুলতা এবং 
৩. চিংড়ি / মাছ নিজে 
চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য অমেরুদন্ডী প্রাণীদের চেয়ে কম, তাই চিংড়িতে রোগ বেশী হয়।

পরিবেশ ⇒ রোগ বালাই ⇔(চিংড়ি)⇔ রোগ সৃষ্টিকারী জীবানু

ঘেরের পরিবেশ যখন রোগ জীবাণুসহ ভারসাম্য অবস্থায় বসবাস করে তখন সাধারণতঃ চিংড়ির কোন রোগ বালাই হয় না। যদি কোন কারণে দুর্বল / পীড়িত হয়ে পড়ে তখন সহজেই রোহ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘেরের সার্বিক পরিবেশ ভালো থাকলে সাধারণতঃ চিংড়ির কোন রোগ বালাই হয় না। 

একটি স্বাভাবিক রোগমুক্ত চিংড়ি দেখতে কি রকম দেখায় ? 
♥ পাগুলি দেখতে পরিস্কার এবং সম্পূর্ণ। 
♥ শরীর পরিস্কার এবং চকচকে ও সম্পূর্ণ। 
♥ খোলস নরম নহে এবং সহজে ভেঙ্গে যাবে না। 
♥ ফুলকা পরিস্কার এবং স্বাভাবিক রংয়ের। 

রোগের সাধারণ লক্ষণঃ 
মাসে একবার জাল টেনে মাছ ও চিংড়ির স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করে তাৎক্ষণিবভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। পুকুরে ঘন ঘন জাল টানা ঠিক না। পুকুরে একবার জাল টানলে মাছ ও চিংড়ির যে ক্ষতি হয় তা পূরণ করতে এক দুই দিন সময় লাগে। 

রোগের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো নিম্নরূপঃ 
♥ মাছ ও চিঙড়ির সাধারণ চলাফেরা বন্ধ হয়ে যায়। 
♥ মাছ ও চিংড়ি পানির উপরে ভেসে খাবি খায়। 
♥ চিংড়ি পানির উপরে চলে আসার চেষ্টা করে। 
♥ ফুলকার স্বাভাবিক রং কালো হয়ে যায়। 
♥ দেহের উপর লাল/কালো/সাদা দাহ পড়ে। 
♥ চিংড়ির খোলসের উপর সবুজ শেওলার স্তর পড়ে। 
♥ চিংড়ির হাটার অঙ্গ এবং এন্টেনা (দাঁড়ি) খসে পড়ে অথবা আঁকা বাঁকা হয়ে যায়। 
♥ চিংড়ির খোলস নরম হয়ে যায়। 
রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিংড়ি ও মাছের বাহ্যিক অবস্থা এবং পুকুরের পরিবেশের প্রতি অত্যন্ত ভালোভাবে নজর রাখা উচিৎ।

গলদা চিংড়ির কয়েকটি সাধারণ রোগ 

চিংড়ির নরম খোলস ও স্পঞ্জের মত দেহঃ 

কারণঃ পানিতে ক্যালসিয়াম কমে গেলে এ্যামুনিয়া ও তাপমাত্রা বেড়ে গেলে, পুষ্টিকর খাদ্য কমে হেলে এবং পানির গুণাগুণ নষ্ট হয়ে গেলে এ রোগ হয়। 

লক্ষণঃ চিংড়ির খোলস নরম হয়ে যায়, উপর থেকে চাপ দিলে নীচে ডেবে যায়। 

প্রতিকারঃ 
♥ মজুদ ঘনত্ব কমিয়ে পুকুরে অন্তত ৫০% পানি বদল। 
♥ পুকুরে প্রতি মাসে চুন প্রয়োগ। (প্রতি একরে ১৫-২০ কেজি ডলমাইট কৃষি চুণ) 
♥ পুকুরে সার ও খাদ্য প্রয়োগ নিয়ন্ত্রণ। 

মাথায় ও ফুলকায় কালো দাগঃ 
কারণঃ পুকুরে এ্যামুনিয়া ও লৌ হ বেড়ে গেলে এবং খাদ্যে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেঙ্ কমে গেলে চিংড়ি এ রোগে আক্রান্ত হয়। 

লক্ষণঃ মাথা, ফুলকা, লেজ, এবং উদর খন্ডেও কালো দাহ দেখা যায়। 

প্রতিকারঃ 
♥ মজুদ ঘনত্ব হ্রাস, পানি বদল (৩০-৫০%)। 
♥ চুণ প্রয়োগ (০.৫ কিলো/শতাংশ/প্রতিমাসে। 
♥ খাদ্যের সাথে ভিটামিন সি (০.০৩ মি.গ্রা./কেজি), ভিটামিন প্রিমিঙ্ (২৫ মিলি গ্রা./কেজি মিশিয়ে দেওয়া। 

চিংড়ির কালো ফুলকা রোগ ও ফুলকা পচন রোগঃ 
চিংড়ি যখন আহোনলযোগ্য আকার ধারণ করে তখন তাদের ফুলকার উপর ও নীচে কালো দাগ দেখা যায়। ফলে তাদের ফুলকা পঁচে যায় এবং শ্বাস প্রশ্বাস কষ্ট হয়। অবশেষে চিংড়ি মারা যায় এবং বাজারে চিংড়ির দাম কম হয়। 

কারণঃ পুকুরের তলদেশে অতিরিক্ত জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ কালো মাটি। মাটিতে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের বিস্তৃ্ততি। ফ্যাংগাস এর উপস্থিতি। 

লক্ষণঃ ফুলকার রং কালো হয়ে যায় এবং ফুলকা পঁচে যায়। 

প্রতিকারঃ 
♥ পুকুরে পানি পরিবর্তন (৩০-৫০%) 
♥ সম্ভব হলে আশ্রয়স্থল তুলেদিয়ে হররা টেনে গ্যাস অপসারণ করে দেয়া 
♥ পুকুরে চিংড়ির ঘনত্ব কমিয়ে দেয়া। খাদ্য নিয়ন্ত্রন করা। 

এন্টেনা পচন(দাঁড়ি মোচ পচনঃ) 
কারণঃ জৈব পদার্থ (প্রাণী দেহ) পচনের ফলে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়া, দূষিত ও বিষাক্ত গ্যাস (এ্যামুনিয়া, হইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস)। 

লক্ষণঃ এনটেনা পচে ক্রমে ক্রমে খাটো হয়ে যায়। এনটেনাতে গিট গিট সৃষ্টি হয়। 

প্রতিকারঃ 
♥ বড় চিংড়ি ধরে ঘনত্ব কমাতে হবে। 
♥ পানি পরিবর্তন, নতুন পানি প্রবেশ। 
♥ প্রতি মাসে ২০-২৫ কেজি/একর হারে ডলমাইট বাক্রৃষি চুন প্রয়োগ। 
♥ শামুকের মাংস প্রয়োগ নিয়ন্ত্রণ। পিলেট জাতীয় খাদ্য প্রয়োগ। 
♥ বিকলাঙ্গ রোগঃ 

কারনঃ এ রোগের প্রধান কারণ পুষ্টিহীনতা খাদ্যে পুষ্টিকাক দ্রব্যের ঘাটতি। খাদ্যে ট্রেচ ইলিমেন্টের অভাব। 

লক্ষণঃ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেমনঃ পা, রোষ্ট্রাম বেঁকে যাওয়া। 

প্রতিকারঃ 
চিংড়ি ধরে ঘনত্ব কমানো। 
প্রোটিন মিনারেল সমৃদ্ধ খাদ্য প্রয়োগ।

রোগ প্রতিরোধের সহজ পথগুলো হচ্ছে নিম্নরুপঃ 
♥ পুকুর নিয়মিত শুকিয়ে পরিমিত মাত্রায় চুন প্রয়োগ। 
♥ পুকুরের তলায় অতিরিক্ত কাদা অপসারণ। 
♥ পুকুরে নিয়মিত সার প্রয়োগ প্রাকৃতিক খাদ্যের যোগান স্থিতিবস্থায় রাখা। প্রয়োজনের বেশী সার প্রয়োগ থেকে চাষীকে বিরত রাখুন। 
♥ কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত পোনা মজুদ না করা। 
♥ পুকুরের তলায় আশ্রয়স্থল সৃষ্টি করা। 
♥ কোন অবস্থাতেই বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রয়োগ না করা। 
♥ পুকুরে কোন ক্ষতিকর দ্রব্য না ফেলা। 
♥ চিংড়ির বয়স বাড়ার সাথে সাথে খাদ্যের পরিমাণ প্রয়োজন মত বাড়ানো। তাই প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি কিছু পরিমাণে সম্পুরক খাদ্য প্রয়োগ করা। 
♥ পুকুর পাড়ে বড় ধরণের গাছ-পালা না রাখা এবং পুকুরে আলো বাতাস পড়ার সুযোগ থাকা। 
♥ অল্প পরিমাণে জলজ গাছ থাকা। 
♥ চিংড়ির সাথে অল্প পরিমাণে কাতলা, সিলভার কার্প ও প্রাস কার্প ছাড়া। 
♥ পনির গভীরতা ৬০-১০০ সেন্টিমিটারে রাখা।

চিংড়ি সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা 

সাধারণতঃ কোন বিষয়ের গভীরে না ঢুকে অর্থাৎ বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি না জেনে উপর থেকে দেখেই আমরা অনেক সময় কিছু ভুল ধারণা নিয়ে বসে থাকি। তদ্রুপ গলদা চিংড়ি সম্পর্কেও আমাদের দেশের অনেক চাষী ভাইয়ের মধ্যে কিছু কিছু ভুল ধারণা কাজ করে। যা মাঠ পর্যায়ের চাষী ভাইদের সাথে আলোচনা করে বেরিয়ে এসেছে। গ্রামাঞ্চলে প্রচলিত গলদা চিংড়ি সম্পর্কে এই সমস্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে চাষী ভাইদের সঠিক ও পরিস্কার ধারণা থাকার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই কিছু বিষয় তুলে ধরা হলোঃ 

সমস্যা সমূহঃ
♥ পানিতে ভেসে উঠে / হাজল উঠা। 
♥ সমস্ত চিংড়ি পানির এক কোণে এস উপস্থিত হয়। 
♥ চিংড়ি হেঁটে হেঁটে চলে যায়। 

উপরোক্ত র্দশ্যগুলো গ্রামাঞ্চলে অনেক চাষী ভাইদের মুখে মুখে প্রচলিত আছে যেমনঃ চিংড়ি হেঁটে হেঁটে চলে এবং এই জন্য কেউ কেউ চিংড়ির বড় দু'খানা পাও ভেঙ্গে দেন। কারণ হেঁটে নলে যাওয়া চিংড়ির বৈশিষ্ট্য নয়। বাস্তবতা হলো এই যে, কখনও কখনও দেখা যায় চিংড়িগুলো পানিতে থেকে পাড়ের দিকে চলে আসার চেষ্টা করছে বা পানি থেকে একটু উপরে মাটিতে উঠে গেছে। এক্ষেত্রে দোষটা চিংড়ির নয় বরং আমাদের। চিংড়ি সব সময়্ তারজন্য সহনশীল পরিস্কার পরিবেশ পছন্দ করে যা কিনা মানুষ হিসেবে আমরাও করি। আমরা যেমন কোন দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে বেশীক্ষণ থাকতে পারি না তেমনি চিংড়িও তার থাকার অনুপযোগী কোন স্থানে থাকতে চায় না। আর তষনই বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয়ার চেষ্টা করে এবং মনে হয় চিংড়ি পুকুর থেকে উঠে চলে যাচ্ছে। 

কি কি কারণে এমনটি ঘটেঃ 
♥ যদি কোন কারনে পানির অক্সিজেন কমে যায়। 
♥ যদি কোন কারণে পানি অতিরিক্ত ঘোলাটে হয়ে যায়। 
♥ যদি পানিতে কিছু পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। 
♥ কীটনাশক বা বিষ জাতীয় কিছু পানিতে মিশলে। 

উপরের কারণগুলোর জন্যেই চিংড়ির ক্ষেত্রে উল্লেখিত সমস্যাগুলো ঘটে, তবে মূলতঃ অক্সিজেনে স্বল্পতাই এর জন্য দায়ী। পানিতে অন্যান্য সমস্যা না থাকলেও মেঘলা দিনে ঘোমট আবহাওয়া এমনিতেই পানিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং তখনও "চিংড়ি পানিতে খাবি খাচ্ছে" (ভেসে উঠা) এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। মেঘলা দিনে এমনিতেই বাতাসের চাপ কম থাকে তার উপর প্রচলিত নিয়ম অনুসারে পানি নড়াচড়া করা হয় বা পানিতে ঢেউ সৃষ্টি করা হয় যার ফলে পানিতে অক্সিজেন বৃদ্ধির পরিবর্তে আরো কমে যায়। তাছাড়াও পানিতে থাকা ব্যাকটেরিয়াগুলো পানি থেকে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন গ্রহণ করে ফলে চিংড়ির অক্সিজেন ঘাটতি দেখা দেয়। 

করণীয়ঃ 
♥ শতাংশ প্রতি ২৫০ গ্রাঃ করে চুন প্রয়োগ, যা অন্যান্য উপকারীতার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়াগুলোকে নিস্ক্রিয় করে দেয় ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
♥ মেঘলা দিনের ঘোমট আবহাওয়ার সময় পানিতে কখনও ঢেউ সৃষ্টি করা যাবে না। 
♥ অতিরিক্ত খাদ্য পানিতে পঁচে পানি নষ্ট করবে এমন কিছু পানিতে ফেলা যাবে না। 
♥ সম্বনিত চিংড়ি চাষের জমিতে (ধান বা সব্জিতে) কীটনাশক বা বিষ জাতীয় কিছু প্রয়োগ করা যাবে না। আর ধানক্ষেতে মাছ বা চিংড়ি থাকলে বিষ প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে না যা মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষিতভাবে প্রমাণিত।

Source: AgroBangla


Read More]]>
syedbadiuzzaman1971@gmail.com (syed badiuzzaman) General Fri, 07 Nov 2014 10:35:46 +0000
শীতে হাত ও পায়ের যত্ন। http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A5%A4 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A5%A4

শীতের তাড়নায় আদুরে আশ্রয় মেলে কম্বল আর বিছানায় কিন্তু সারাদিন তো আর বিছানায় বসে থাকা চলে না ছুটতে হয় নিজ নিজ কর্মস্থলে আর বাইরে বের হলেই শুরু হয় শীতের দাপট দেহের অন্যান্য অংশ সব সময় ঢেকে রাখা গেলেও সর্বাধিক ব্যবহৃত দুটি অঙ্গ কিন্তু প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আলগা করতেই হয় তা হল-হাত আর পা আর কারণেই এর ওপর ধকলটাও যায় বেশি শীতে আমাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক হয়ে যায় তাই দেহের অন্যান্য অঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হাত-পায়ের যত্নে দেয়া চায় কিছুটা সময় যাতে কারো সামনে তা বের করে লজ্জা না পেতে হয়

হাতের যত্নঃ

ঘরের যেকোনো কাজ করতে হাত বেশি সময় ভিজে থাকলে ভেজা হাতে মাসাজ অয়েল মেখে নিন। এরপর কিছুটা লিকুইড সোপ নরম ব্রাশে নিয়ে হাতে জমা ময়লা বা মরা চামড়া ভালোভাবে পরিস্কার করুন। এরপর কোল্ডক্রিম লাগিয়ে নিন। শীতে বাইরে যাওয়ার সময় হাতে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার মেখে নিতে হবে।

 হাত মোলায়েম মসৃণ রাখতে নিয়মিত স্ক্র্যাব মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন- ১টি পাতিলেবুর রস চা চামচ চিনির মিশ্রণ দিয়ে হতে ঘষতে পারেন। এতে মরা কোষ উঠে মসৃণ হবে।
হাতের উজ্জ্বলতা বাড়াতে টেবিল চামচ ময়দা দুধে গুলে হাতে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। এরপর হাতে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না।

পায়ের যত্নঃ

শীতে পা ফেঁটে যায়। চামড়া ওঠে, রক্তও বের হয়ে আসতে পারে। হাঁটতে গেলে ব্যথা অনুভব হয়। সর্বপরি দেখতে অসুন্দর হয়। নিজের কাছেও অস্বস্তির শেষ থাকে না। ফাঁটা প্রতিরোধ করে পায়ের চামড়া মসৃণ করতে, শীতে কখনো খালি পায়ে হাঁটা যাবে না।

পায়ে ধুলাবালি লাগলে সঙ্গে সঙ্গে তা পরিস্কার করতে হবে।
প্রতিদিন গোসলের আগে পায়ে তেল মেখে নিন। গোসলের সময় ঝামা ইট দিয়ে ঘষে গোড়ালির মরা চামড়া দূর করতে হবে। প্রতিবার পা ধোয়ার পর ভাল করে মুছে পেট্রলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।
প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোনো ভাল ক্রিম দিয়ে পা মাসাজ করবেন। এতে পায়ের সৌন্দর্য বাড়বে এবং পা ফাঁটবে না।

সপ্তাহে অন্তত দুদিন উষ্ণ পানিতে পা ভেজাতে হবে। এতে শরীরের রক্ত প্রবাহ ভালো হয়।
শীতে সুতি মোজা ব্যবহার করুন, ঠাণ্ডার হাত থেকে পাকে বাঁচাবে।
এতে পা থাকবে পরিষ্কার, সুন্দর কোমল। যা আমাদেরকে অন্যের সামনে সৌন্দর্যের সঙ্গে রুচি তুলে ধরতে সাহায্য করবে


Read More]]>
shanazlucky33@gmail.com (Shanaz Lucky) General Thu, 06 Nov 2014 07:08:33 +0000
ফরেক্স (Forex) বিজনেস নিয়ে ব্যাতিক্রম কিছু জানি। ফরেক্স কি ? কি হয় এখানে ? http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A5%A4-%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A5%A4-%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87

ফরেক্স কি ?

আন্তর্জাতিক কারেন্সি ট্রেড মার্কেট

কি হয় এখানে ?

কারেন্সি ট্রেড

ফরেক্স নিয়ে কিছু ভুল ধারনা-
কিছু না যেনে কারো ট্রেড ফোল করে টাকা দিয়ে কোন রোবট কিনে বসে বসে ফরেক্স থেকে লাভ করা যায় না
ফরেক্স করে কখনো রাতারাতি কোটিপতি হওয়া যায় না ফরেক্স কোন টাকা ছাপার মেশিন না
ফরেক্স করে এক সপ্তাহে বা মাসে টাকা দিগুন করা সম্ভব না
ফরেক্স রাতারাতি শিখা সম্ভব না এর জন্য অনেক ধইর্য দরকার সময় দেয়া দরকার পরিশ্রম দরকার
কেউ যদি মনে করেন প্রতিদিন ঘন্টা ঘন্টা সময় দিয়ে ফরেক্স করে কটিপতি হয়ে যাবেন তাহলে টাকা যা আছে তাই গচ্চা যাবে আর কিছু হবে না
ডেমো ট্রেড আপনি লাভ করতে পারছেন তার মানে এই না যে লাইভ ট্রেড আপনি ভালো করতে পারবেন
ফরেক্স অবৈধ কোন বানিজ্য না এটি আমাদের দেশে অবৈধ না প্রতিটি বোকার এন্টি মানি লন্ডারিং পলিসি থাকে দেখবেন অনেকটা বুঝবেন আপনি যদি ডমেইন-হস্টিং কিনেন বা অনলাইন হোটেল বুকিং দেন বা অনলাইন থেকে পেপাল দিয়ে কিছু কিনেন তাহলে কি তা অবৈধ হবে হবে না কারন আপনি অবৈধ ভাবে টাকা বাইরে পাচার করছেন না বা অবৈধ কিছু করছেন না সাধারনত অনলাইন পেমেন্ট দিতে আমরা যে কারেন্সি ব্যাভার করি তা আঊটসর্সিং করা টাকা যা আসে বিদেশ থেকে এবং ব্যাঙ্ক থেকে ক্যাশ করার আগ পর্জন্ত তা কিন্তু আমাদের দেশের টাকা না তা বিনিয়গ করলে এটা মানি লন্ডারিং হল না আসলে এব্যাবপারে একটি পোস্ট পরে দিব কারন বিস্তারিত অনেক লম্বা তবে অনেক রিস্কি মার্কেট বলে ফরেক্স এর প্রতি বাংলাদেশ সরকার মানুষ কে উৎসাহিত করে না

ফরেক্স নিয়ে ব্যাতিক্রম কিছু জানি -

ফরেক্স মার্কেট কারেন্সি ছাড়া ট্রেড করা যায় স্টক , বন্ড, মেটাল এর মধ্যে স্টক বন্ড অনেক নিরাপদ তবে সব ব্রকারে তা ট্রেড করা যায় না ফরেক্স এর স্টক ট্রেড এর মাধ্যমে আপনিই অনেক বিখ্যাত কম্পানি যেমন ফেসবুক, -বেয়, কোকাকোলার মত কম্পানির স্টক কিনতে পারবেন
সব ফরেক্স ব্রোকার সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে ট্রেড ক্লিয়ার করে না যারা ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার তারা আপনার ট্রেড এর বিপরিদে ট্রেড করে এবং আপনার লস থেকে লাভ করে এমন ব্রোকার যদি দেউলিয়া হয়ে যায় (এখন হয়েছে বলে আমার যানা নেই) তাহলে ইনভেস্টমেন্ট পেতে খবর আছে, তবে FCA UK Regulated ব্রোকার হলে ৫০,০০০ ডলার পর্যন্ত ক্ষতিপুরন FCA দিয়ে দিবে এব্যাপারে একটি বিস্তারিত পোস্ট করব পরে একদিন
যারা নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার তারা সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে ট্রেড ক্লিয়ার করে তাই রিস্ক নেই এবং এক্সিকিউসন অনেক ভালো থাকে
যারা মার্কেটিং এর লোক তারা ফরেক্স থেকে ইঙ্কাম করতে পারেন প্রচুর এফিলিয়েট এর মাধ্যমে

ফরেক্স এ সফল হওয়ার সাধারন নিয়ম।

আপনাকে শিখতে হবে ফরেক্স কি, কেন, কিভাবে কাজ করে ? র্য লাগবে প্রচুর ফরেক্স একটি কথা আছে (learn, Learn, Learn and Practice, Practice a lot then earn ) প্রচুর সময় দিতে হবে, অনেক প্র্যাক্টিস করতে হবে  

ফরেক্স করে এমন কারো সাথে থেকে কমপক্ষে এক মাস কাজ শিখা।  
সব সময় কমিউনিটি এর সাথে থাকা , প্রতিদিন ফরেক্স নিউজ ফাইনান্সিয়াল নিউজ ফোল করা ফরেক্স রিলাটেড ফরাম ফ্রি নিউস প্রভাইডিং সাইট সাবসক্রাইব করে রাখা
একটি টিম থাকলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায় একটি মানি ম্যানেজমেন্ট থাকা উচিত
একটি পেয়ারে ট্রেড করুন একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন
প্রথমে ডেমো পরে অল্প কিছু পরে আসল বিনিয়গ করা উচিত, কখন নোরিস্ক নো গেইন টাইপ Decision নেয়ায়া উচিত না
ঝোঁকের মাথায় ট্রেড করা উচিত না, একদিন বেশি ট্রেড করাও উচিত না
নিজে একটি ট্রেডিং মেথড তৈরি করুন, নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন, আর ভুল থেকে শিখার চেষ্টা করুন
লোভ নিয়ন্ত্রন করতে শিখুন দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন

কেনো করব ফরেক্স ? ফরেক্স কি নিরাপদ ?

ফরেক্স এই কারনে করবেন কারন ফরেক্স মার্কেট টি নিরাপদ তবে এতে থাকা আপনার বিনিয়গ ততক্ষন নিরাপদ না যতক্ষন না আপনি একজন ভালো ট্রেডার ফরেক্স মার্কেটে বেশির ভাগ ট্রেডারই আসে কিছু না জেনেই, ফরেক্স অনেক রিস্কি মার্কেট কারন এতে ফ্ল্যাকচুয়েশন অনেক বেশি, আর আর একটা জিনিশ লেভারেজ জার দারা আপনি ১০ টাকা দিয়ে ১০০ টাকার ট্রেড করতে পারেন এই লেভারেজ যেমন লাভ আনে তেমন লস অনেক কয়েকগুন ফরেক্স মার্কেট ট্রেড করতে আসার আগে আপনাকে ট্রেড শিখা অত্যন্ত যরুরি, ফরেক্স বুঝা, ফরেক্স করার জন্য সময় বের করা নিয়মিত সময় দেয়া অধ্যাবসায়  এর দরকার পড়ে।

------------------------------------------------------------

 

অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh ) একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এখানে আছে Bangladesh -net">সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিক বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Bangladesh -social-network">Profile Bangladesh -social-network">বন্ধু, ব্লগ তৈরী করতে পারেন


Read More]]>
selim_cse_eng@yahoo.com (Jamal Selim) General Thu, 06 Nov 2014 06:02:07 +0000
মস্তিষ্কের জন্য উপকারী ৭টি খাবার ! http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0

আমাদের শরীরের সবচেয়ে কার্যকর অংশ হচ্ছে মস্তিষ্ক। এর সিগন্যাল পেয়েই শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাজ করে। তাই মস্তিষ্ককে কার্যকর এবং সচল রাখা অত্যন্ত জরুরী। কিছু খাবার আপনার এই প্রয়োজন মিটাতে পারে। জেনে নিন কি করে এ কাজটি করবেন।

ডার্ক চকোলেট

b2ap3_thumbnail_dark-chocholate.jpg
প্রতিদিন
এক টুকরো ডার্ক চকোলেট খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে৷ অল্প পরিমাণে ডার্ক চকোলেট খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে, বলছেন বিজ্ঞানীরা৷

 

আখরোট

b2ap3_thumbnail_Akhrot.jpg
আখরোটে অন্যান্য বাদামের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে৷ এটি মস্তিষ্ককে যে কোনো রোগ থেকে রক্ষা করে৷

 

টমেটো

b2ap3_thumbnail_tomato.jpg
টমেটো – সহজলভ্য এই সবজিটি মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, কারণ এতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কোষগুলোর ক্ষতি হওয়া থেকে বাঁচায়৷ এছাড়া স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে টমেটো৷

 

স্যামন সামুদ্রিক মাছ

b2ap3_thumbnail_seafish.jpg
মানুষের মস্তিষ্কের ৬০ শতাংশ চর্বি দিয়ে তৈরি৷ তাই এটিকে সক্রিয় রাখতে প্রয়োজন ফ্যাটি অ্যাসিড৷ সামুদ্রিক মাছ যেমন – স্যামন, টুনা ও অন্য সামুদ্রিক মাছ মস্তিষ্কের খাবার হিসেবে বেশ উপকারী৷ কারণ এই খাবারগুলোতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা আলজইমার রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে৷

 

গ্রিন টি

b2ap3_thumbnail_green-tea.jpg
গবেষকরা বলছেন, গ্রিন টি মস্তিষ্কের সংযোগ ক্ষমতা বাড়ায়, সেই সাথে পারকিনসন্স ও স্মৃতিভ্রংশের হাত থেকে রক্ষা করে৷ চিনি ছাড়া দিনে তিন কাপ সবুজ চা আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভীষণ উপকারী৷

 

 

ব্লু বেরি

b2ap3_thumbnail_Blue-berry.jpg
বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা বাড়াতে ব্লু বেরির জুড়ি নেই৷ এতে আছে ফ্ল্যাভোনয়েডস৷ এছাড়া এটি স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে৷ মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে এটি৷ পারকিনসনস আ আলজfইমার থেকেও রক্ষা করে ব্লু বেরি৷

 

 

পালংশাক

 

b2ap3_thumbnail_Spinach.jpg
পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে, যা মস্তিষ্কের সংযোগ শক্তি বৃদ্ধি করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়৷ এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টও রয়েছে, আছে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই ও ভিটামিন কে, যা ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করে৷

 

 

Source: Reader Digest 


Read More]]>
syedbadiuzzaman1971@gmail.com (syed badiuzzaman) Tips and Tricks Thu, 06 Nov 2014 04:57:48 +0000
Integrated Online Marketing Strategy for SEO and higher conversion rate http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/integrated-online-marketing-strategy-for-seo-and-higher-conversion-rate http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/integrated-online-marketing-strategy-for-seo-and-higher-conversion-rate online marketing strategyAn overwhelming amount of information is out there about how to get started with online marketing or social media marketing and the platforms and tools to use. Technology advancements are impacting to change the online marketing environment frequently. The landscape of online marketing and customer interaction is changing at such a fast and furious speed that it is almost impossible to know if the same techniques and tools that apply today will work tomorrow. As a result Search Engine Optimization (SEO) techniques have been forced to change course in order to maintain search rank and deliver cost effective search results. As customer expectation and interaction behaviors are changing, so web usability, accessibility and social media marketing strategies are also changing quickly. That is why it is important to focus on an integrated online marketing approach to optimize and implement website and marketing activities holistically.

Old and New SEO features for 2015 and beyond

 

Old SEO

New SEO

Content Optimization for search engine – creating titles, headlines and anchor text for keywords to influence search engine algorithm Optimization for users – creating catchy headlines and engaging content with quality and appropriate format for different delivery channels to influence user mind
Keyword Research Focus on creating and optimizing content against a list of keywords that are found on several keyword analysis tools Focus on creating and optimizing content against user generated #tags, topics and queries that are found on several analytical tools and social network sites
Link building Focus on adding links to directories, participating in link exchange programs and buying links Focus on guest blogging in industry-trusted sites, establishing relationship and managing social media in terms of content publishing
Social Media Focus on pushing content via social media and getting exposure by liking the content Focus on using social media for communication around content and getting exposure by commenting and sharing

What is Integrated Online Marketing Strategy Framework

Integrated Online Marketing Strategy Framework is an approach to optimize design, marketing, and measurement of a website for improving customer interaction and conversion. The core idea of Integrated Online Marketing Strategy Framework is to create a process for analyzing online activities holistically and implementing best practices to engage and acquire customer. The framework approach divides online activities into 4 domains – analysis, development, marketing, and measurement.

The reason for dividing online activities into 4 domains is to implement and manage particular domain thoroughly, and brought back the knowledge in composition with other domains to optimize online marketing activities for higher return on investment. Each of the domain will focus to achieve their specific objectives and targets; and integrate with other domains through mapped and shared documents for achieving ultimate goals of the online business.

 

integrated-online-strategy-framework
Integrated Online Marketing Strategy Framework

Benefits of using Integrated Online Marketing Strategy Framework

The overall benefit of using Integrated Online Marketing Strategy Framework approach is to achieve higher return on investment by optimizing online user interaction and conversion processes.

Specific benefits are -

  • Better online business performance by identifying gaps in usable design, quality content, and SEO best practices
  • Higher conversion rate by optimizing design and content
  • Higher return on investment by optimizing online traffic visits and content sharing
  • Quality data and rational decisions by optimizing data collection, configuration, reports and dashboards

Domains of Integrated Online Marketing Strategy Framework

Analysis Domain

Analysis is a process of evaluating performance of your website by comparing against a set of standard guidelines and best practices in the subject domain. There are two main goals of analysis domain – i) Identify gaps in usable design, quality content, SEO and measurement best practices; and ii) make recommendations for improving customer engagement, conversion rate, SEO performance and analytics reports. Analysis activities will use quantitative data from analytical tools and qualitative information from customer’s feedback as well as industry best practices.

Analysis/Audit will answer two important questions-

  • How well is your website performing?
  • What are your website improvement areas?

The Analysis Domain Activities

  • Usability and Accessibility Audit
  • SEO Audit - onsite and offsite
  • Content Audit
  • Social Media Marketing Analysis
  • Website Measurement and Analytics Analysis

Analyze is the essential first quadrant of Online Marketing Optimization Cycle for benchmarking your online performance and identifying improvement areas in all aspects of your online activities.

 

online marketing optimization cycle
Online Marketing Optimization Cycle

Development Domain

The main focus of the development domain is to build or optimize usable, accessible and conversion focus website. The goal is to optimize design and content for improving searchability, usability, conversion rate and branding. The development domain creates optimized content that are user friendly, easily shareable and convertible through social network, blogs and search engine.

The Development Domain Activities

  • Develop or redesign website
  • Implement usability and accessibility best practices
  • Implement technical SEO best practices
  • Implement content quality and accessibility best practices
  • Implement strategies for content creation, management and delivery

Refine is the second quadrant of Online Marketing Optimization Cycle for improving your online presence in all aspects of design, structure and content. Implement is the third quadrant of Online Marketing Optimization Cycle for applying design changes and refined content types, format, structure.

Marketing Domain

Online marketing is the process of publishing and distributing relevant content to other websites, social media sites and advertising networks for creating inbound links. Online marketing also manage marketing activities on social media sites as wella s advertising on paid medias. The landscape of online marketing is changing at such a fast and furious speed that it is almost impossible to know if the same techniques and tools that apply today will work tomorrow. The focus of the marketing domain is on higher return on investment by optimizing online traffic visits and content sharing. The marketing domain will optimize authority building, social media marketing and online advertising.

The Marketing Domain Activities

  • Develop content for different channel strategies
  • Deliver content mix strategies for attracting and engaging online audience
  • Implement inbound link building strategies
  • Implement social media marketing strategies
  • Implement online advertising strategies
  • Implement email marketing strategies

Refine is the second quadrant of Online Marketing Optimization Cycle for fine tuning marketing activities. Implement is the third quadrant of Online Marketing Optimization Cycle for implementing new marketing strategies and activities.

Measurement Domain

The aim of the measurement domain is to establish an environment for measuring the website performance. The goal of the measurement domain is to provide quality data and support rational decisions by optimizing data collection, configuration, reports and dashboards. The domain will map the purposes of the website and the objectives of content, design and marketing with measurement metrics and KPIs. The domain will create analytical reports that will help decision makers to understand website performance in relation with overall business and marketing goals.

The Measurement Domain Activities

  • Develop Performance Measurement Plan
  • Implement best practices for data capture and configuration
  • Setting goals, segmentations and analysis funnels
  • Create reports and dashboards
  • Process, analyze and deliver reports to key stakeholders

Measure is the fourth quadrant of Integrated Optimization Cycle for implementing and optimizing data collection, configuration, reports and dashboards.

In summary, Integrated Online Marketing Strategy Framework is a holistic approach to optimize and implement online marketing activities thoroughly; it blends web design, content, social and search engine marketing and analytics comprehensively. The approach will help online team to focus on achieving strategic goals for each of the domain, and integrate results with other domains for a comprehensive understanding of the website and marketing performance.

 


Read More]]>
alamtariq71@gmail.com (Tariq Alam) Computer and Internet Wed, 05 Nov 2014 20:12:36 +0000
স্নায়ুকোষের মরণঘুমে বাঙালির দাওয়াই দারুচিনি! http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF

 

পার্কিনসন্‌স রোগের অন্যতম দাওয়াই হতে পারে দারুচিনি গুঁড়ো!

জার্নাল অব নিউরো ইমিউন ফার্মাকোলজি-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করেছেন শিকাগোর রাশ ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টারের স্নায়ুবিদ্যার গবেষক কালীপদ পাহান। ইঁদুরের উপরে তিন বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে দারুচিনির সঙ্গে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে ডোপামিন নিঃসরণের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি ওই প্রবাসী বাঙালি গবেষকের। মস্তিষ্কের এই ডোপামিন নিঃসরণকারী কোষগুলি মরে গেলেই পার্কিনসন্‌স-এ আক্রান্ত হয় মানুষ। দারুচিনি ওই কোষগুলিকেই ফের মরণঘুম থেকে বাঁচিয়ে তোলে।

কালীপদবাবুর কথায়, পার্কিনসন্‌স রোগের কোনও ওষুধ নেই। রোগটি কী ভাবে সারবে, তা এখনও অজানা। মস্তিষ্কের ডোপামিন নিঃসরণ করা স্নায়ুকোষগুলির অধিকাংশ মরে গেলে এই রোগটি হয়। ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করার সময় দারুচিনি প্রয়োগ করে ওই মৃত কোষগুলিকে সাময়িক ভাবে অনেকটাই সক্রিয় করে তুলতে পেরেছি। যা ভবিষ্যতে পার্কিনসন্‌স রোগীদের কাছে সুসংবাদ নিয়ে আসতে পারে। ওই জীববিজ্ঞানীর কথায়, দারুচিনি সারা বিশ্বেই মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। লিভারে গিয়ে যে দারুচিনি সোডিয়াম বেনজয়েট তৈরি করে, তা জানাই ছিল। ওই রাসায়নিক পদার্থটি লিভারের কোষের পক্ষে উপকারী। কিন্তু রাসায়নিকটি যে মস্তিষ্কের কোষেও প্রভাব ফেলে, তা এত দিন জানা ছিল না।

স্নায়ুবিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় ১০ কোটি স্নায়ুকোষ থাকে। তাদের মধ্যে ৪-৫ লক্ষ কোষ ডোপামিন নামে একটি প্রোটিন তৈরি করে। ২৫ বছর বয়সের পর থেকেই মানব মস্তিষ্কে বিভিন্ন স্নায়ুকোষ মরে যেতে শুরু করে। এর মধ্যে ডোপামিন নিঃসরণকারী কোষও রয়েছে। মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণকারী স্নায়ুকোষগুলির শতকরা ৬০ ভাগ মারা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেহে পার্কিনসন্‌স রোগের উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। ডোপামিন নিঃসরণকারী স্নায়ুকোষ যত বেশি মারা যায়, ততই পেশীর সক্রিয়তা কমে যায়। রোগের উপসর্গ হিসেবে হাত ও পায়ের গতি শ্লথ হতে শুরু করে। মুখমণ্ডল বিবর্ণ হয়ে যায়। আস্তে আস্তে হাত-পা কাঁপা শুরু হয়। কালীপদবাবুর কথায়, স্নায়ুকোষ মারা গেলে তাকে বাঁচিয়ে তোলার কোনও উপায় নেই। ডোপামিন তৈরি করা স্নায়ুকোষগুলি নিষ্ক্রিয় হওয়ার হার রোধ করাটাই একমাত্র দাওয়াই। সেটা করতে পারলে রোগের প্রকোপটাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। সেই কাজেই সাহায্য করতে পারে দারুচিনি গুঁড়ো।

http://www.anandabazar.com/polopoly_fs/1.83058.1414870064!/image/image.jpg

কী ভাবে? কালীপদবাবুর ব্যাখ্যা, আমরা ইঁদুরের দেহে দারুচিনি প্রবেশ করিয়ে দেখেছি তা তাদের শরীরের মধ্যে সোডিয়াম বেনজয়েটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। রাসায়নিকটি মস্তিষ্কের মৃতপ্রায় কোষগুলিতে পৌঁছলে সেগুলি থেকে ডোপামিন নিঃসরণ বেড়ে যায়। যা পেশী সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে। অর্থাত্‌ নিয়মিত দারুচিনির জোগান দিয়ে গেলে মস্তিষ্কের ঝিমিয়ে থাকা কোষগুলি দীর্ঘসময় সক্রিয় থাকে।

কালীপদবাবু এবং তাঁর সঙ্গী আর এক বাঙালি বিজ্ঞানী সৌরভ খাসনবিশ জানান, গবেষণাগারে তাঁরা ইঁদুরের শরীরে এমন এক ধরনের বিষ প্রয়োগ করেন, যা ওই প্রাণীগুলির মস্তিষ্কের ডোপামিন নিঃসরণকারী কোষগুলিকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফলে ইঁদুরের পেশি সঞ্চালন একেবারে শ্লথ হয়ে পড়ে। তারা নড়াচড়াও বন্ধ করে দেয়। কালীপদবাবু বলেন, এর পরে আমরা ওই ইঁদুরগুলির কয়েকটির শরীরে নির্দিষ্ট মাত্রায় দারুচিনি প্রবেশ করিয়ে দেখি ধীরে ধীরে তাদের পেশী সঞ্চালন ক্ষমতা ফিরে এসেছে। মস্তিষ্কের কোষগুলিকে পরীক্ষা করে দেখি সেগুলি ডোপামিন নিঃসরণ করতে শুরু করেছে। কিন্তু যে ইঁদুরগুলিকে দারুচিনি খাওয়ানো হয়নি, তাদের অবস্থা ক্রমশই খারাপ হতে থাকে।

পার্কিনসন্‌স রোগের স্থায়ী সমাধান খুঁজতে নিজেদের গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চান কালীপদবাবুরা। কিন্তু এই দেশের বিজ্ঞানীরা কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন এই গবেষণাকে? স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ শ্যামল দাসের কথায়, “দারুচিনির গুঁড়ো থেকে যদি পার্কিনসন্‌সের চিকিত্‌সা শুরু হয়, তা মানুষের মনে আশা জাগাবে। যদিও এখনও অনেক ধাপ পেরোনো বাকি।” আর এক স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ সীতাংশু নন্দীর কথায়, “বিশ্ব জুড়ে এ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা চলছে। ইন্টারনেট মারফত আমরা নানা তথ্য জানতে পারি। কিন্তু, এই সব গবেষণার ফল মানব শরীরে প্রয়োগ করা যাবে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে এখনও কিছু জানা যায়নি।” 

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিদ্যা বিভাগের স্নায়ুবিজ্ঞানের অধ্যাপক তুষার ঘোষ মনে করেন, স্নায়ু-সংক্রান্ত নানা রোগ, ক্যানসারের যে হেতু নির্দিষ্ট ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন গবেষণা চলছে। এই সব গবেষণায় ভারতীয় ভেষজ উপাদান, মশলাপাতির ব্যবহারও খুব জনপ্রিয় হয়েছে। তুষারবাবুর কথায়, “শুনেছি ক্যানসার আক্রান্তদের পালং শাকের রস, জাফরান খাইয়ে লাভ হচ্ছে। স্নায়ু-সংক্রান্ত রোগের ক্ষেত্রেও যদি এ রকম কিছু জানা যায় তা হলে ভালই হবে।

source- anandabazar patrika

....................................................................................
অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম  এখানে আছে Bangladesh -net">সোস্যাল নেটওয়ার্কিং  ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ  ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিকবাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Bangladesh -social-network">Profile Bangladesh -social-network">বন্ধুব্লগ তৈরী করতে পারেন

 

 


Read More]]>
neetiroy1988@gmail.com (Neeti Roy) Science & Technology Wed, 05 Nov 2014 11:07:42 +0000
উপটান তৈরি করুন ফর্সা, উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বকের জন্য http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%2C-%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%93-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%2C-%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%93-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF

উপকরণ-

১ টেবিল চামচ বেসন

১ টেবিল চামচ তরল দুধ

২ টেবিল চামচ লেবুর রস

১ ১/২ টেবিল চামচ আমণ্ড গুঁড়ো

১/২ চায়ের চামচ হলুদ গুঁড়ো

কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল

কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারঃ

সবগুলো উপকরণ একসাথে ভালো করে মেশান ও ফেস প্যাক হিসেবে মুখে ও গলায় লাগান।লাগানোর সময় হালকা ভাবে মাসাজ করে নিন এবং প্যাকটি পরিষ্কার করার সময়ও আলতো করে মাসাজ করে তুলুন। এই উপটানটির নিয়মিত ব্যবহার আপনার ত্বককে করবে উজ্জ্বল, মসৃণ ও লাবণ্যময়।


Read More]]>
shanazlucky33@gmail.com (Shanaz Lucky) General Wed, 05 Nov 2014 10:03:53 +0000
পেট এর চর্বি কমাতে চান? (চার টি খাবার খুব সহজে কমাবে আপনার পেটের চর্বি ।) http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A5%A4 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A5%A4

মেদহীন সুন্দর পেট কে না চায় বলুন? কিন্তু দীর্ঘক্ষন অফিসে বসে থাকা, শরীরের প্রতি অবহেলা, ফাস্ট ফুড খাওয়া সব মিলিয়ে পেটের মেদ দিন দিন বেড়েই চলছে অনেকের। পেটের মেদ কমানোর জন্য নানান চেষ্টাও বিফলেই যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিছু বিশেষ খাবার আছে যেগুলো খেয়ে কমাতে পারেন পেটের বাড়তি মেদ। জেনে নিন পেটের মেদ কমাতে সহায়ক খাবার গুলোর সম্পর্কে।

ব্রুকলি (সবুজ ফুলকপি): 

b2ap3_thumbnail_Broccoli.jpg

সবুজ এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। এটি শরীরে রাসায়নিক উপাদানগুলোকে নিঃশেষ করে এবং মুটিয়ে যাওয়া রোধ করে। আঁশযুক্ত খাদ্য ব্রুকলিতে প্রচুর পানি বিদ্যমান। ফলে ব্রুকলি পেটে দীর্ঘক্ষণ থাকে এবং বারবার ক্ষুধা পায় না। সপ্তাহে অন্তত চার দিন ব্রুকলি খাওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে বেশি সেদ্ধ না করে হালকা সেদ্ধ সবজি খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দারুচিনি:

b2ap3_thumbnail_daruchini.jpg

ওজন কমাতে দারুচিনি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এটি শরীরের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দারুচিনি খেলে খিদে কমে যায় এবং মেদ গলতে শুরু করে। পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টাইফয়েড, যক্ষা এবং ক্যান্সারেও দারুচিনি উপকারি। ১ থেকে ৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো বিপাকে দ্রুত ভূমিকা রাখে, যা শরীরে সামগ্রিকভাবে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

 

ডিম:

b2ap3_thumbnail_dim.jpg  

মেদহীন পেটের জন্য ডিম অতুলনীয়। কারণ ডিমে আছে প্রাকৃতিক ভাবে মেদ কমাতে সহায়ক প্রোটিন ও এমিনো এসিড। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম খেলে পেটের মেদ বেশ দ্রুত কমে যায়।(তবে যাদের কলেস্তরোল, প্রেশার আছে ডিম কসুম তাদের না খাওয়াই ভাল)

 

অ্যাভাকাডো:(একটা মোটামুটি শক্ত চামড়া যুক্ত মসৃণ তৈলাক্ত ও একটি নাশপাতি-আকৃতির ফল।)

b2ap3_thumbnail_avocado-sliced-in-half.jpg 

অ্যাভাকাডোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পাশাপাশি এতে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ কোলেস্টেরল কমাতে এবং রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আভাকাডো ফলে আরও আছে ফলিক এসিড বা ভিটামিন-বি যা হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে এবং অস্টিওপরোসিস রোগের ঝুঁকি কমায়।

............................................................................................................

অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh ) একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এখানে আছে Bangladesh -net">সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিক বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Bangladesh -social-network">Profile Bangladesh -social-network">বন্ধু, ব্লগ তৈরী করতে পারেন

 


Read More]]>
selim_cse_eng@yahoo.com (Jamal Selim) Health Wed, 05 Nov 2014 07:17:42 +0000
হ্যাকিং থেকে বাঁচার ৫ উপায় !   http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%AB-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%2520 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%AB-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%2520

 

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রায় আমাদের সবার কাছেই একটি আতঙ্কের নাম হ্যাকিং!

অনলাইনভিত্তিক সাইটগুলো প্রায়শই শিকার হচ্ছে হ্যাকিংয়ের, বেহাত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য। তবে এই আতঙ্কের হাত থেকে বাঁচার আছে সহজ কিছু উপায়, যা হয়ত অনেকেই জানেন না। অনেক ক্ষেত্রেই কাজের প্রয়োজনে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য অ্যাকাউন্টের আড়ালে তুলে দিতে হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাতে, যার নিরাপত্তার আর থাকেনা তথ্যের মালিকের হাতে। তবে অ্যাকাউন্টগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

এমনই নিরাপত্তাবিষয়ক ৫টি পদক্ষেপ জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ।

কঠিন পাসওয়ার্ড: যেকোনো অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কঠিন পাসওয়ার্ডের বিকল্প নেই। তবে কোন পাসওয়ার্ডটা সত্যিকার অর্থেই কঠিন তা বুঝে উঠতে পারেন না অনেকেই। আবার কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে গিয়ে নিজেই নিজের পাসওয়ার্ড ভুলে যাবার ভয়ও আছে। ছোট হাতের-বড় হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও সাইন মিলিয়ে আট বা তার বেশি অক্ষরের একটি পাসওয়ার্ডের হতে অ্যকাউন্টের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন ব্যবহারকারীরা। ফক্স নিউজের মতে, এধরনের পাসওয়ার্ডযুক্ত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে বেগ পেতে হয় হ্যাকারদের। তবে এক পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেক অ্যাকাউন্টের জন্যই আলাদ আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের উপদেশ ফক্স নিউজের।

২. নিরাপদ কানেকশন: যেকোনো সংরেবদনশীল তথ্যধারী অ্যাকাউন্টে ঢোকার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে বিশ্বস্ত কানেকশন ও ডিভাইস। তবে কাজের প্রয়োজনে বাইরের ডিভাইস থেকেও এসব অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার প্রয়োজন হয়, ব্যবহার করতে হয় বাইরের ওয়াই-ফাই কানেকশন। এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) সার্ভিস। তবে কাজ শেষে বন্ধ করে নিতে হবে ভিপিএন সার্ভিস, কারণ ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয় সার্ভিসটি।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে সাইবারঘোস্ট সফটওয়্যাটি, আর স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসির কজন্য আছে হটস্পট শিল্ড ভিপিএন এবং এভাস্ট সিকিউর লাইন ভিপিএন। ব্যাঙ্কিং সার্ভিসের জন্য ব্যাঙ্কের নিজস্ব অ্যাপগুলো ব্যবহার করাই নিরাপদ।

৩. অ্যাকাউন্ট অ্যালার্ট: পাসওয়ার্ড ছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন সাইটে আছে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন বা টু স্টেপ অথেনটিকেশন সিস্টেম। এই সার্ভিসটি চালু থাকলে নতুন কোনো ডিভাইস থেকে অ্যাকাইন্টে ঢুকতে হলে পাসওয়ার্ড এর পাশাপাশি প্রয়োজন হবে ইমেইল কিংবা স্মার্টফোনে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড। 

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাঙ্কগুলো দিচ্ছে কয়েকটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদের মধ্যে একটি এসএমএস অ্যালার্ট, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো লেনদেন হবার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্টের মালিকের মোবাইলে এসএমএস পাঠাবে ব্যাঙ্ক। এছাড়াও আছে চিপ অথেনটিকেশন প্রোগ্রাম (সিএপি) বা ডাইনামিক পাসকোড অথেনটিকেশন (ডিপিএ)।সিস্টেমটিতে প্রত্যেক ক্রেডিট কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করা একটি বিশেষ কম্পিউটার চিপ, যা প্রতিবার কার্ডটি ব্যবহারের সময় নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করে সয়ংক্রিয়েভাবে।

৪. স্ক্যাম বা ফিশিং পরিহার: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডবিষয়ক তথ্য হাত করতে না পারলে ইমেইলের মাধ্যমে আক্রমণ চালায় হ্যাকাররা। বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে লোভনীয় ইমেইল পাঠিয়ে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে হ্যাকাররা। প্রায় সব ইমেইলগুলোতেই কিছু লিঙ্ক দেয়া হয়, যা দেখতে যাই হোক না কেন মুলত একটি তথ্যপাচারকারী সাইট। লিঙ্কগুলোতে ক্লিক করলেই হ্যাকাররা পেয়ে যায় ওই ব্যবহারকারীর ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড ও অন্যান্য স্পর্শকাতর তথ্য। কোনো সত্যিকার প্রতিষ্ঠান কখনই এ ধরনের ইমেইল পাঠায় না, জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

৫. সাবধানতা: ব্যাঙ্ক বা অন্যান্য অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহারকারীকে একটু বেশি সাবধানতা অবলম্বন করার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময়ই অ্যাকাউন্টের সাধারণ সমস্যাগুলো অবহেলা করেন ব্যবহারকারীরা, এটা করা যাবে না। প্রত্যেক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ব্যবহারকারীর সকল তথ্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়, সাইবার অপরাধ জগতে যা ফুলজ নামে পরিচিত। এই ফুলজ হাতিয়ে নিতে পারলে হ্যকাররা হাতিয়ে নিতে পারবে ওই ব্যবহারকারীর সকল অর্থ, নিতে পারলে ব্যাঙ্ক লোনও। একারণে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে যেকোন সন্দেহজনক লেনদেন পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্ককে জানাতে হবে।

 ..............................
News Source: http://www.foxnews.com, http://bangla.bdnews24.com


অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh ) একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম  এখানে আছে Bangladesh -net">সোস্যাল নেটওয়ার্কিং  ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ  ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিকবাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Bangladesh -social-network">Profile Bangladesh -social-network">বন্ধু, ব্লগ তৈরী করতে পারেন


Read More]]>
syedbadiuzzaman1971@gmail.com (syed badiuzzaman) General Wed, 05 Nov 2014 06:05:08 +0000
শর্টকাট ভাইরাস থেকে আজ এ স্থায়ী মুক্তি নিয়ে নিন । http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A5%A4 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A5%A4 হঠাৎ করে দেখলেন কম্পিউটার শর্টকাট ফাইল-ফোল্ডারে ভরে গেছে। বারবার ডিলিট করেও এ থেকে মুক্তি মিলছে না। হুটহাট অনেক ফাইল-ফোল্ডার হারিয়েও যাচ্ছে। ইদানীং এই সমস্যায় প্রায় সবাই পড়ছেন। এটি কোনো ভাইরাস নয়। এ হলো VBS Script (ভিজুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট)। এ যন্ত্রণা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

CMD ব্যবহার করে
১. run এ গিয়ে লিখেন CMD। (Command Prompt – DOS) then  CMD (Command Prompt – DOS) উইন্ডো ওপেন হবে।

২. নিচের কমান্ডটি হুবহু লিখুন
attrib -h -s -r -a /s /d Name_drive:*.*
এবার Name_drive লেখাটিতে যে ড্রাইভটি আপনি শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত করতে চান সেটি লিখুন। যেমন: C ড্রাইভ ভাইরাসমুক্ত করতে চাইলে লিখুন attrib -h -s -r -a /s /d c:*.*
৩. এন্টার বাটন চাপুন
৪. এবার দেখবেন শর্টকাট ভাইরাস ফাইল ও ফোল্ডারগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এবার ওই ফাইল ও ফোল্ডারগুলো ডিলিট করে দিন।

.bat ব্যবহার করে  

Bat ফাইল হলো নোটপ্যাডে লেখা একটি একজেকিউটেবল ফাইল। এতে ডাবল ক্লিক করলেই চালু হয়ে যায়।
১. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
২. নিচের কোডটি হুবহু কপি-পেস্ট করুন

@echo off
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
@echo complete.

৩. এবার Name_Drive এর জায়গায় ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভের নাম লিখুন। যদি তিনটির বেশি ড্রাইভ আক্রান্ত হয় তাহলে কমান্ডটি শুধু কপি-পেস্ট করলেই চলবে।
৪. removevirus.bat এই নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন।
৫. এবার ফাইলটি বন্ধ করে ডাবল ক্লিক করে রান করুন।
৬. এবার দেখবেন আপনার শর্টকাট ভাইরাস ফাইল-ফোল্ডারগুলো সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এখন সব ডিলিট করে দিন।

<a href='http://ritsads.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a30d1e30' target='_blank'><img src='http://ritsads.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=686&n=a30d1e30' border='0' alt='' /></a>

এছাড়া নিচের কৌশলও নিতে পারেন

আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে

১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন।

 

ব্যাস, আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত। এবার পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাসও আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh) একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এখানে আছে সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিক বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Profile বন্ধু, ব্লগ তৈরী করতে পারেন


Read More]]>
selim_cse_eng@yahoo.com (Jamal Selim) Computer and Internet Mon, 03 Nov 2014 11:30:16 +0000
Outsourcing এর কিছু সাইট যা দিয়ে সহজে ইনকাম করতে পারেন। http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/outsourcing-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/outsourcing-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87

ইন্টারনেট  ছোট ছোট কাজ করে কিছু টাকা উপার্জনের কিছু সাইট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সামনে। Odesk r freelancer ছাড়া ও কিছু সাইট আছে যে গুলো তে আপনি ছোট ছোট কাজ করতে পারেন, income ও মন্ধ আসবে না। এই গুলো তো বিট ও হয় কম ।যারা Outsourcing   এ নতুন, বা মাত্র Outsourcing শুরু করতে ছাচ্ছেন তারা এই সাইট গুলো তে ট্রায় করতে পারেন । অনেকেই এই সাইট গুলোর নাম আগে থেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য এই লিখা।


  • microworkers.com: এই সাইটটি অনেক জনপ্রিয়। কাজ করার সাত দিনের মাঝে আপনার টাকা হয়ে যাবে। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল, পায়জা ও মানিবুকের্স দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
  • shorttask.comএই সাইটটি কার্যক্রম অনেক ভালো। একাধিক একাউন্ট করা যাবে না। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
  • minuteworkers.comএই সাইটটি ভালো সাইট হিসাবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। রেফারেল দিলে পাচ সেন্ট পাবেন ও আপনার রেফারার যদি একটি কাজ সফলভাবে শেষ করেন তবে দশ সেন্ট পাবেন। দুই ডলারের বেশি হলে ১০% ফী দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। তবে দশ ডলারের বেশি হলে কোনো ফী দিতে হবে না। পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
  • microtoilers.comএই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট  রেফারেল এর বেবস্থা আছে। প্রথমবার টাকা তুলতে পচিশ ডলার বেশি হতে হবে। এরপর নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। (তবে এই সাইটটিতে আমি কখনো কাজ করিনি)
  • jobboy.comএই সাইটটিতে একাউন্ট করার সাথে সাথে এক ডলার পাবেন। এই সাইট  রেফারেল এর বেবস্থা আছে। দশ ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
  • microjob.coএই সাইটটিতে আপনি নিজের প্রোফাইল তৈরী করে আপনার কাজের বর্ণনা দিতে পারবেন পাশাপাশি ছোট ছোট কাজ করে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবেন। পেপাল, পায়জা ও মানিবুকের্স দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। কিন্তু টাকা পাঠাতে ত্রিশ কর্ম দিবস সময় নিয়ে থাকে।
  • centworkers.comএই সাইটটিতে আপনি রেফারেল দিলে দশ সেন্ট পাবেন ও আপনার রেফারার যদি কাজ করে একশ ডলার উপার্জন করেন তবে এক ডলার পঞ্চাশ সেন্ট পাবেন। পাচ ডলারের বেশি হলে পেপাল, পায়জা ও মানিবুকের্স দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
  • pointdollars.comএই সাইট  রেফারেল এর বেবস্থা আছে। প্রথমবার টাকা তুলতে পচিশ ডলার বেশি হতে হবে। এরপর নয় ডলারের বেশি হলে পেপাল ও পায়জা দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। (তবে এই সাইটটিতে আমি কখনো কাজ করিনি)
  • deshiworker.com: এটি একটি বাংলাদেশী সাইট। এর মান ঠিক রাখতে এডমিনগণ যথেষ্ট চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যারা ইংলিশ একটু কম পারেন, তারা এই সাইটটিতে চেষ্টা করতে পারেন। এই সাইটটি সম্পর্কে বেশি কিছু বলছি না, কারণ সাইটটি বাংলায়। তাই কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হবার কথা না।

বিঃদ্রঃ কার কার কাছ থেকে অভিযোগ শুনা জায যে Microworkers এর পুরানো একাউন্ট থেকে টাকা তোলা যায়, কিন্তু যারা নতুন (টাকা তোলার জন্য পিন দেয়া হয় )যারা এই পিন এখনো ও পাই নাই, তাদের নাকি নতুন করে পিন দেওয়া বন্ধ আছে । সুতরাং পিন না পেলে টাকা তোলা যাবে না। এটি সাময়িক নাকি দীর্ঘ দিনের জন্য, তা জানা জায নি এমন ও অভিযোগ শুনা জাই যে MinuteWorker সাইটটিও থেকে ও নাকি ঠিক মত টাকা তোলা যাচ্ছে না। তাই এই বিষয়টি যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে সবাইকে বলবো, দয়া করে আপনারাও সতর্ক থাকবেন।

 

ধন্যবাদ 

-------------------------------------------------------------------------------

 

অ্যাড্রেস বাংলাদেশ (Address Bangladesh ) একটি সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এখানে আছে Bangladesh -net">সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ব্লগ , -লার্নিং,  এবং নিউজ ইন্টারভিউ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো - সোস্যাল নেটওয়ার্কভিত্তিক বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার একটি প্লাটফর্ম তৈরি করা। এখানে আপনি Bangladesh -social-network">Profile Bangladesh -social-network">বন্ধু, ব্লগ তৈরী করতে পারেন


Read More]]>
selim_cse_eng@yahoo.com (Jamal Selim) Computer and Internet Sun, 02 Nov 2014 10:16:24 +0000
ঘুমানোর আগে যে ৯টি খাবার খাবেন না! http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%AF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%AF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE

আমরা অনেকেই ডেজার্ট হিসেবে এমন অনেক খাবার খাই যেগুলি ঘুমানোর আগে খাওয়া একেবারেই উচিত না। নানভাবে এগুলি ঘুমের মধ্যে আমাদের ক্ষতির কারণ হবে।

১. আইসক্রিম

আইসক্রিমে রয়েছে প্রচুর ফ্যাটি এসিড। ফলে আইসক্রিম হজম হয় খুবই ধীর গতিতে। আইসক্রিমে চিনির পরিমাণও অনেক বেশি। আর এজন্যই বলা হয়, ঘুমানোর আগে আইসক্রিম দুঃস্বপ্নের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. চিপস

চিপস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটা আপনাকে শুধুই কিছু সোডা এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি দিয়ে থাকে।  তাই চিপস খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই বাদ দেয়া উচিত। আর ঘুমানোর আগে চিপস খেলে আপনি তাতে দ্বিগুণ ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

৩. পাউরুটি

ওজন বাড়াতে চাইলে রাতের ঘুমানোর আগে পাউরুটি খেতে পারেন।  পাউরুটির ইস্টে এক ধরনের কার্বোহাইড্রেট থাকে যা শরীরের ওজন বাড়ায়। কিন্তু খাবার হিসেবে পাউরুটি মোটেও স্বাস্হ্যকর নয়।  তাই ওজন বাড়াতে চাইলেও ঘুমানোর আগে পাউরুটি, সান্ডউইচ, বার্গার এসব না খেয়ে অন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ভালো।

৪. পিৎজা

পিৎজায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যালরিপূর্ণ উপাদান। তাই পিৎজা দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।  এছাড়াও পিৎজায় আমরা যে টমেটো সস খাই তা উচ্চমাত্রায় অ্যাসিডিটি বাড়ায়। তাই ঘুমানোর আগে পিৎজা খাওয়া একেবারেই ঠিক না।

৫. চকলেট

শুধুমাত্র ফ্যাট আর সুগারই না, চকলেটে অনেক বেশি ক্যাফেইনও  রয়েছে। চকলেটে রয়েছে থিওব্রোমাইন নামে এক ধরনের উত্তেজক পদার্থ। তাই এটা আপনার নিদ্রাহীনতার কারণ হতে পারে।

৬. পাস্তা

পাস্তায় রয়েছে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালরি। আর এগুলি আপনার শরীরের মেদ বাড়ায়।  তাই ঘুমানোর আগে পাস্তা খাওয়া একেবারেই উচিত না। তবে অন্যান্য সময়ে পাস্তা খাওয়া যেতে পারে।

৭. পেস্ট্রি

খাওয়ার পরে ডেজার্ট হিসেবে পেস্ট্রি খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। ঘুমানোর আগে পেস্ট্রি খেলে খুব দ্রুত ওজন বাড়ে এবং কখনো কখনো লো ব্লাড সুগারের কারণে ঘুমও ঠিকমতো হয় না।

৮.মিষ্টি
অনেকেই ঘুমানোর আগে মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। ঘুমানোর আগে মিষ্টি খাওয়া পেস্ট্রি খাওয়ার মতই ক্ষতিকর। ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টির বদলে টক দই খাওয়া যেতে পারে।

 

৯. অতিরিক্ত ফল

ডেজার্ট হিসেবে ফল খেতে আমরা কম বেশি সবাই পছন্দ করি।  ফলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের এসিড এবং চিনি যা অ্যাসিডিটির আশঙ্কা বাড়ায়। তাই ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত ফল খাওয়া উচিত না।

 

 


Read More]]>
popykundupopy@gmail.com (Popy Kundu) Tips and Tricks Sun, 02 Nov 2014 10:11:47 +0000
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে সুস্থ থাকুন। http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A5%A4 http://addressbangladesh.com/bangladesh-social-network/my-blog-posts/entry/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A5%A4

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে সুস্থ থাকাটা মোটেও অসম্ভব কোনও কাজ নয়৷ কারণ, এই সময়ে সুস্থ থাকতে হলে প্রয়োজন সচেতনতা এবং সতর্কতা৷ বলছেন,বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুব্রত মৈত্র।
 

অক্টোবর মাসের প্রায় শেষ ৷ অথচ, এখনও গরম রয়েছে৷ তবে, এর পর তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে৷ পরিবর্তন হবে আবহাওয়ার৷ তাই, শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে, এই আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়েই যথেষ্ট সচেতন এবং সতর্ক থাকতে হবে৷

এমনিতেই অক্টোবর মাসের এই সময়েও এ বছর এখনও গরম আর বর্ষাকালের বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে৷ যে কারণে সর্দি-কাশি-জ্বর সহ ভাইরাল ফিভার, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস, ডায়েরিয়া, জন্ডিসের মতো রোগ দেখা যাচ্ছে৷ জ্বর হলে মাথা এবং গা-হাত-পা ব্যথায় কাবু হয়ে পড়ছেন আক্রান্তরা৷ কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার শরীরের বিভিন্ন অংশে র‍্যাশও বের হচ্ছে৷ তবে, এই ধরনের বিভিন্ন উপসর্গ সহ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নতুন কোনও বিষয় নয়৷তা ছাড়া, এই সময় নতুন অথবা অজানা কোনও রোগের প্রকোপও দেখা যায়নি৷ যদিও, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়াও দেখা যাচ্ছে৷ তবে, এ বছর ডেঙ্গির প্রকোপ তুলনায় অনেক কম৷

তবে, এখন থেকেই কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে৷ না হলে আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে শরীর খারাপ হয়ে পড়বে৷ শুধুমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় নয়৷ সাধারণত, শীতের সময় অসুখ-বিসুখের প্রকোপ কম দেখা দেয়৷ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় সাধারণত এই সময়েই সুস্থ থাকা সম্ভব হয়৷ তবে, শুধুমাত্র শীতের সময়ে নয়৷ আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময়েও শিশু এবং বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা উচিত৷ যাঁদের অ্যাজমা রয়েছে, এই সময় তাঁদেরকেও সচেতন এবং সতর্ক হয়ে থাকতে হবে৷ যাঁরা ইনহেলার ব্যবহার করেন, সচেতন থাকতে হবে তাঁদেরকেও৷ খেয়াল রাখতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ইনহেলার ব্যবহারে যেন কোনও অনিয়ম না হয়ে যায়৷

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় সাধারণত সর্দি-কাশির প্রকোপ দেখা দেয়৷ বহু ক্ষেত্রে অ্যালার্জি থেকেও এ সব দেখা দিতে পারে৷ কাজেই, বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে, আবহাওয়ার পরিবর্তনের এই সময়ে যেন ঠান্ডা লেগে না যায়৷ যে কারণে, ঠান্ডা জলে স্নান করা উচিত নয়৷ ফ্রিজ থেকে বের করে ঠান্ডা জলও পান করা উচিত নয়৷ বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গেই এসি ঘরে প্রবেশ করাও উচিত নয়৷ অর্থাৎ, হঠাৎ করে ঠান্ডা থেকে গরম অথবা গরম থেকে ঠান্ডার পরিবেশে যাওয়া উচিত নয়৷ কারণ, এর ফলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে৷ আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে সাধারণত বেশি রাত থেকে শুরু করে ভোরবেলা পর্যন্ত তাপমাত্রা বেশ কমে যায়৷ হাল্কা গরম হয়, এমন চাদর এই সময় ব্যবহার করা উচিত৷ রাতে অথবা ভোরে ঘরের বাইরে থাকলে হাল্কা গরমজামা এবং মাফলার সঙ্গে রাখা উচিত৷ প্রয়োজনে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নিউমোনিয়া প্রতিরোধের জন্য টিকা নেওয়া যেতে পারে৷

 

কাজেই, শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে আবহাওয়ার পরিবর্তনের এই সময় একই সঙ্গে সচেতন এবং সতর্ক থাকতেই হবে৷ এর কোনও বিকল্প নেই৷


Read More]]>
popykundupopy@gmail.com (Popy Kundu) General Fri, 31 Oct 2014 06:48:54 +0000